ঢাকাMonday , 22 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তীব্র যানজট, সমস্যা কোথায়?

Link Copied!

Bus-1নিজস্ব প্রতিবেদক : তীব্র যানজটে এখন অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। বাস চালক ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা জানান, রমজান শুরুর পর আজ সোমবার নগরীতে সবচেয়ে বেশি যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের সংযোগ পয়েন্টে যানজটের কারণে দীর্ঘক্ষণ পরিবহণ আটকে থাকায় নগরীতে গণপরিবহণ সঙ্কট ছিল চরমে। পরিবহণ চালক-শ্রমিকরা বলছেন, ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল ব্যবস্থায় অনিয়মের কারণেই এভাবে দীর্ঘক্ষণ যানজট তৈরি হয়।
অন্যদিকে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা বলছেন, গত বুধবার-বৃহস্পতিবার হরতাল আর শুক্র-শনিবারের সরকারি ছুটি দিনের কারণে অনেকেই বাহির হয়নি। ফলে ৪ দিনের কাজের প্রয়োজনেই আজ সোমবার মানুষ একটু বেশি বেড়িয়ে পরেছে। যার কারণেই যানজট তৈরি হয়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, সোমবার সকাল ৮টার পর থেকেই রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। দুপুরে পরে একপশলা বৃষ্টি হওয়ায় বিকেল থেকে ঘরফেরা মানুষের ভয়াবহ যানজট ও পরিবহণ সঙ্কটের কবলে পড়তে হয়েছে।
কাকরাইল, শান্তি নগর, মৌচাক, রামপুরা, মালিবাগ মোড় ও রেইল গেইট, খিলগাঁও, বাড্ডা, গুলশান, গুলশান-বাড্ডা লিংক রোড, গুলিস্থান, পল্টন, যাত্রাবাড়ি, সায়েদাবাদ, শাহাবাগ, ফার্মগেইট, মগবাজার, মহাখালি, ধানমণ্ডি এলাকার রাস্তায় সকাল থেকেই তীব্র যানজট দেখা গেছে। গাড়িতে না উঠতে পেরে পায়ে হেঁটে অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ফুটপাতের অবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেককেই কাঁদাপানিতে একাকার হতে দেখা গেছে।
সোমবার দুপুরে মগবাজার মোড়ের তীব্র যানজট সামাল দিতে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশদের হিমশিম খেতে দেখা গেছে। এখানে এক দিকের সিগন্যাল ছাড়লে অন্যদিকে মুহূর্তেই যানজট লেগে যায়। এর পরে রয়েছে ধীর গতিতে মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের কাজ। ফলে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে।
কাকরাইল মোড়েও একই অবস্থা দেখা গেছে। তবে এখানে ট্রাফিক পুলিশের সিগন্যাল ব্যবস্থা পরিচালনায় কিছুটা অনিয়ম দেখা গেছে। দুপুর ১টা ৭ মিনিট থেকে দেড়টা পর্যন্ত এখানে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট’কে দেখতে পাওয়া যায়নি।
এ সিগন্যাল পয়েন্টে তিনজন কনেস্টবল ও একজন সার্জেন্টের ডিউটি রয়েছে। কিন্তু উল্লেখিত সময়ে দুই জন কনেস্টবল ৪টি রাস্তার ৮টি টার্নিং পয়েন্টে (সিগন্যাল) নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে। ফলে এখানেও যানজট দীর্ঘ হয়েছে। এ সময় দায়িত্বরত সার্জেন্ট কোথায় আছেন সে ব্যাপারের দুই পুলিশ সদস্য কিছু জানাতে পারেননি।
এভাবে যানজট সৃষ্টির ব্যাপরে ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, কার পার্কিং করে রাস্তাগুলোর বেশির ভাগ দখল হয়ে আছে। ‘অবৈধ কার পার্কিংয়ের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে মালিকদের দাপটে চাকরি টেকানো দায় হয়ে পরে। এদিকে বড়-বড় মার্কেট ভবনগুলোতে পর্যাপ্ত কার পার্কিংয়ের জায়গা নেই।
অনেক কার পার্কিং-এর জায়গাও ভাড়া দিয়ে দিয়েছে। ফলে এসব মার্কেটে আসা প্রাইভেট করগুলো এলোপাতারি ভাবে রাস্তায় রাখা হয়। এতে মূল রাস্তার আয়তন কমে যায়। সিগন্যাল ছাড়া হলে দ্রুত চলমান গাড়িগুলো বেড় হতে না পাড়ায় যানজট দীর্ঘ হয়।