স্পোর্টস ডেস্ক : বৃষ্টির কারণে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিন টসই হতে পারেনি। দ্বিতীয় দিন বৃষ্টির আঘাতে খেলা দুই ঘণ্টা পর শুরু হলে ৬৪ ওভার খেলা হয়। দু’দিন বৃষ্টির আঘাতের কারণে গল টেস্টের ফলাফল নিয়ে শংকা দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার টেস্টের দ্বিতীয় দিন প্রথমবারের মতো বল মাঠে গড়ায়। দিন শেষে শ্রীলংকা ৩ উইকেটে ১৭৮ রান করে স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তবে দ্বিতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। দুর্দান্ত বোলিং করে সফরকারীরা লংকানদের ৩০০ রানে গুটিয়ে দেয়।
শুক্রবার টেস্টের তৃতীয় দিন ৩ উইকেটে ১৭৮ রান নিয়ে খেলতে নামে স্বাগতিক শ্রীলংকা। কুশল সিলভা ৮০ ও অ্যঅঞ্জেলো ম্যাথিউস ১০ রান নিয়ে খেলতে নামেন। তবে দিনের শুরুতে ম্যাথিউসকে আউট করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। ওয়াহাব রিয়াজের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন লংকান দলনায়ক। ১৮৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে দিনেশ চান্দিমালকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন দুর্দান্ত খেলতে থাকা কুশল সিলভা।
২২৬ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ষষ্ঠ উইকেটে ভিনাতেগেকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সিলভা। এই সময় সেঞ্চুরি তুলে নেন কুশল সিলভা। ২৬১ বলে ১৫টি চারের সাহায্যে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তবে এরপর ইয়াসির শাহ, হাফিজ ও জুলফিকার বাবরের ত্রিমুখী আক্রমণে ম্যাচের লাগাম টেনে ধরে মিসবাহ-উল-হকের দল। এই তিনজনের বোলিং নৈপূণ্যে ৩৯ রানে শ্রীলংকার শেষ ৫ উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের ৩০০ রানে অলআউট করতে সক্ষম হয় সফরকারীরা।
ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি করা কুশল সিভলা ৩০০ বলে ১২৫ রান করে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন। কুমার সাঙ্গাকারার ব্যাট থেকে আসে ৫০ রান। এছাড়া চান্দিমাল ২৩ ও করুনারত্নে ২১ রান করেন।
পাকিস্তানের হয়ে ওয়াহাব রিয়াজ ও জুলফিকার বাবর ৩টি করে উইকেট লাভ করেন। সমান দুটি করে উইকেট নেন হাফিজ ও ইয়াসির শাহ।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১ রানে দুই ওপেনার হাফিজ ও আহমেদ শেহজাদকে হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। দুজনকেই ফেরান ধামিকা প্রাসাদ।

