ঢাকাTuesday , 16 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চলে গেলেন কিংবদন্তী জিতো

Link Copied!

zitoস্পোর্টস ডেস্ক : ব্রাজিলের কিংবদন্তী ফুটবলার জিতো না ফেরার দেশে চলে গেছেন। সোমবার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন ৮২ বছর বয়সী এই কিংবদন্তী তারকা। ব্রাজিলের হয়ে ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপ জিতেছেন সদ্য প্রয়াত এই তারকা।
ব্রাজিলের সাবেক এই ডিফেন্ডিস মিডফিল্ডার জাতীয় দলের হয়ে ৫২টি ম্যাচ খেলেছেন। ক্লাব ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় তিনি সাও পাওলোর ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলেছেন। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে সান্তোসের হয়ে ৭৩৩টি ম্যাচ খেলে ৫৭ গোল করেন তিনি। সান্তোসের অধিনায়ক থাকাকালীন সর্বকালের সেরা ফুটবলার পেলে তার সতীর্থ ছিলেন।
সোমবার ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন ও সান্তোসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জিতোর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ক্লাবটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোববার জিতো সাও পাওলোতে অবস্থিত তার বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তবে গত বছর স্ট্রোক করার পর থেকেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।
৬০ ও ৭০’র দশকে দিদি ও জিতো মিলে অপ্রতিরোধ্য জুটি গড়ে তোলেন। মিডফিল্ডে এই দুজনের জাদুকরি নৈপূণ্যে গারিঞ্চা, ভাভা ও পেলেরা ১৯৫৮ বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষকে দুমড়ে মুচড়ে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতান। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে যথাক্রমে ফ্রান্স ও সুইডেনকে সমান ৫-২ গোলে হারিয়ে সেবার প্রথমবারের মতো বিশ্বজয়ের স্বাদ পায় সেলেসাওরা।
চার বছর পর ১৯৬২ বিশ্বকাপে ফিফা প্রকাশিত বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জায়গা করে নেন জিতো। পুরো নাম হোসে এলি ডি মিরান্ডা। সেবার ফাইনালে ব্রাজিলের হয়ে একটি গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে জয় পাইয়ে দেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।
১৯৬২ ও ১৯৬৩ সালে সান্তোসের হয়ে কোপা লিবার্তোরেজও জিতেছিলেন জিতো। অবসরের পর সান্তোসের কোচিং স্টাফের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে কাজ করেন। তার জন্যই মূলত রবিনহো ও নেইমার সান্তোসে যোগ দেন।
কোপা আমেরিকা খেলতে নেইমার এখন আছেন চিলিতে। সেখান থেকেই জিতোর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ব্রাজিল অধিনায়ক। ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করার জন্য ব্রাজিলিয়ান তারকা কৃতজ্ঞতা জানিয়ে টুইট করেন, ‘তার সম্পর্কে বলার মতো ভাষা আমার জানা নেই। আমার জন্য আপনি যা করেছেন আমি শুধু সেটার মূল্যায়নই করতে পারি। ধন্যবাদ, জিতো স্যার।’
জিতোর মৃত্যুর ফলে ব্রাজিলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে শুধু মারিও জাগালো ও পেলে বেঁচে রয়েছেন।