নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা নীতিমালা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে দায়ের করা এক রিটে আবেদনের শুনানি শেষে আজ সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মোস্তাফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সবিচকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এদিন রিট আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাড. ইউনুস আলী আকন্দ।
এর আগে গত ১০ জুন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।
গত ১ জুন মেধাতালিকার ভিত্তিতে কলেজে ভর্তির জন্য নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে এই নীতিমালার ৩.১, ৪.১, ৪.২, ৫.৩, ৯.১, ও ৯.৩ এই ছয়টি ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন হলিক্রস, নটর ডেম ও সেন্ট জোসেফ কলেজের তিন অধ্যক্ষ। শুনানি শেষে গত ৮ জুন আদালত এই তিন কলেজের জন্য নীতিমালার কার্যকারিতা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন। এছাড়া এ ছয়টি ধারা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েও চার সপ্তাহের রুল জারি করেন আদালত।
নীতিমালার ৩.১ ধারায় বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
৪.১ ধারায় সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন অথবা টেলিটক এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ৪.২ আবেদন ফি ১৫০, সর্বোচ্চ ৫ কলেজে পছন্দক্রম দিতে পারবে। অনলাইনে একবার আবেদন করতে পারবে। প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা।
৫.৩ ধারায় বলা হয়েছে এসএমএস প্রাপ্তির পর মেধাক্রম অনুসারে কলেজের নোটিশ বোর্ড বা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। কোনো কারণে আসন শুন্য হলে বোর্ডের পছন্দ অনুসারে ২য় মেধাক্রম প্রকাশ করতে হবে।
৯.১ ধারায় বলা আছে, সকল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। ৯.৩ ধারা মোতাবেক এ নীতিমালা না মানলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

