নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামে নিয়োগ পাওয়া ডাক্তাররা ঢাকায় বদলি হয়ে আসতে প্রতিদিনই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ভিড় করছেন। ডাক্তারদের ২ বছর গ্রামের হাসপাতালে চাকরি করা বাধ্যতামূলক হলেও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্তরাও ঢাকামুখি হতে চান।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত আব্দুল লতিফের (চট্টগ্রাম-১১) এমন এক প্রশ্ন করলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহম্মদ নাসিম বলেন, ‘কথাটি আংশিক সত্যি। তবে বদলি বা প্রেষণের জন্য নয়, অল্প কিছু ডাক্তার পারিবারিক ও কর্মস্থলের পারিপার্শ্বিক সমস্যা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ভিড় করছেন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামে নিয়োগ পাওয়া ডাক্তাদের দুই বছর পূর্ণ হওয়ার পরই বদলির আবেদন বা উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রেষণের আবেদন বিবেচিত হবে। জনস্বার্থে সরকারি নীতিমালা কঠোরভাবে কার্যকর করা আছে। তাছাড়াও জনস্বার্থে গ্রামের হাসপাতালগুলোতে ডাক্তারদের চাকরি ২ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩ বছর করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
বেগম আয়েশা ফেরদাউসের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে ৪ হাজার জনগোষ্ঠীর একজন করে স্বাস্থ্য সহকারী পদ থাকার কথা রয়েছে। বর্তমানে ৪০ হাজার ৬৮০টি ওয়ার্ডের জন্য ২০ হাজার ৮৭৭টি স্বাস্থ্য সহকারী রয়েছে। যে কারণে স্বাস্থ্য সহকারীদের উপর কিছুটা বাড়তি চাপ রয়েছে। আর এ চাপ কমাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগের লক্ষ্যে ১৯ হাজার ৮০৩টি পদ সৃষ্টির কার্যক্রম চলমান।’
বাংলাদেশের ওষুধ বিদেশে রপ্তানি করা সম্পর্কে নসিম বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে সব ধরনের ওষুধ দেশে উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে এন্টি ক্যানসার, প্রিফিল্ড সিরিঞ্জ, মিটার ডোজ ইনহেলার, ইনসুলিন, লাইফোলাইজড জাতীয় ইনজেকশন, ভ্যাকসিন ইত্যাদি উচ্চ প্রযুক্তির ওষুধ বর্তমানে দেশে উৎপাদিত হয়, যা আগে আমদানি নির্ভর ছিল। বাংলাদেশ এখন চাহিদার ৯৭ শতাংশ পূরণ করে বিদেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।’

