ঢাকাFriday , 12 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তিস্তার গর্ভে বিলীন ২০ পরিবার

Link Copied!

Tistaরংপুর প্রতিনিধি : জেলার গঙ্গাচড়ায় গত কয়েকদিনে প্রবল বর্ষণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পাইকান ও চিলাখাল এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ভাঙনে গত তিনদিনে ২০টি পরিবারের বাড়ি-ঘর, জমি-জমা, গাছপালা তিস্তার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।
এ ভাঙনে হুমকিতে পড়েছে মূল বাঁধ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার কয়েক হাজার পরিবার। ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর সাধারণ মানুষের এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল এলাকার নুরুল হোদা, বিধবা ছকিনা, ইয়াছিন, রবিউল, রশিদ, জহুদ্দি, হাফিজুল, নজরুল, পাইকান হাজীপাড়া ও পীরপাড়ার মর্তুজা, কিবরিয়া, মুকুল, আরফিন, গোলাম রসুল, জাহাঙ্গীর তোফাজ্জল, মন্তাজ, নজরুল আলম বাদশা, শাহজাদার বাড়ি-ঘর তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে গেছে। এছাড়া ওই সব এলাকার অনেকেই ভাঙনের হাত থেকে রেহাই পেতে বাড়ি ঘর সরিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর ধারণা আর ৭/৮ ফুট ভাঙন স্থায়ী হলেই চিলাখাল ও জুম্মাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইকান ইউসুফিয়া মাদরাসা, সাউদপাড়া মাদরাসাসহ এতিমখানা, পোস্ট অফিস, মসজিদ ও পীর সাহেবের মাজার শরিফ তিস্তার পেটে হারিয়ে যাবে।
পীরপাড়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কিবরিয়া, শাহজাদা ও গোলাম রসুল বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে ব্লক তৈরি করলেও তা ব্যবহার না করায় আমরা আজকে নিঃস্ব হলাম।’
এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও চিলাখাল প্রাথমিক বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি নুরল হোদা জানান, চিলাখাল বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মূল বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন রোধে এখনই ব্যবস্থা না নিলে স্কুলটি রক্ষা করা যাবে না। এছাড়া বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় মূল বাঁধ হুমকিতে পড়েছে এবং ভাঙনের স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ হলেই তলিয়ে যাবে কয়েক হাজার পরিবার।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুর রহমান ভাঙনের বিষয় স্বীকার করে বলেন, ‘ভাঙন রোধে ইতোমধ্যে জিও ব্যাগে বালু ফেলানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।’