ঢাকাFriday , 5 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাজেট বস্ত্র খাত বান্ধব নয়

Link Copied!

Garmentsঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : আসন্ন ২০১৫-২০১৬ অর্থবছর থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে উৎস কর বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বস্ত্র ও পোশাক ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, প্রস্তাবিত বাজেট টেক্সটাইল বান্ধব নয়।
শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজারে বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ গার্মেন্ট এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) যৌথ উদ্যোগে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলমা।
এসময় অন্যদের মধ্যে বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান এমপি, সহ-সভাপতি আসলাম সানি, বিটিএমএ সভাপতি তপন চৌধুরী, বিজিএপিএমইএ সভাপতি রাফেজ আলম চৌধুরী, বিজিএমইএ সহ-সভাপতি এস এ মান্নান কচি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাজেট প্রস্তাবনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রপ্তানিমুখী পোশাক ও বস্ত্রখাত। প্রস্তাবে সকল প্রকার রপ্তানি মূল্যের ওপর উৎসে আয়করের হার দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ১ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ এক ধাপে ২৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে এ শিল্পের বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। একই সঙ্গে নতুন অর্থবছরের ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার সাথে সাংঘর্ষিক।’
পাশাপাশি গত এক বছরে পোশাক রপ্তানিতে প্রতিযোগী দেশের তুলনায় নিম্ন প্রবৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে ইউরোর অবমূল্যয়ন, মজুরি ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সরকারের প্রতি উৎস কর বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাজেট নিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রস্তবিত বাজেট ব্যবসা বান্ধব হলেও টেক্সটাইল বান্ধব হয়নি। সরকার বলে- আমাদের অনেক সুযোগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আমরাও অনেক কিছু দিয়েছি, এর মধ্যে অন্যতম হলো ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। অথচ বাজেটের আগে পোশাক ব্যবসায়ীদের যেসব দাবি ছিল সেগুলোর অধিকাংশই আমলে নেয়া হয়নি।’
বিজিএমইএ সভাপতি আরো মনে করেন, ‘রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা যথার্থ নয়। পূর্বে যেখানে এর চেয়ে কম লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হয়নি সেখানে এবারের লক্ষ্যমাত্রা পূরণেও সংশয় থেকে যাবে।’ তবে তিনি বাজেটে অগ্নিনির্বাপক ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।
সেলিম ওসমান বলেন, ‘বাজেটে যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে তা ভয়ঙ্কর হবে। উৎসকর এবং মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধিই আমাদের জন্য বড় সমস্যা। সবকিছু একসাথে ইমপোজ করা হলে আমাদের সমস্যা হবে।’ তাই তিনি সরকারের প্রতি বাজেট প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।