ঢাকাThursday , 4 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর অব্যাহতি সুবিধা পাচ্ছে দেশীয় শিল্প

Link Copied!

budget-অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নতুন শিল্প স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা দিতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বেশ কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর অবকাশ অথবা অব্যাহতি সুবিধা দেয়ার প্রস্তাব করেন। একই সঙ্গে দেশে উৎপন্ন অনেক পণ্যের মূসক অব্যাহতির প্রস্তাব রাখেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ভারি শিল্প হিসেবে অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক, টায়ার প্রস্তুতকারক শিল্প প্রতিষ্ঠানকে কর অবকাশ সুবিধা দেয়ার প্রস্তাব করছি। এছাড়া প্রাণী সম্পদ বৃদ্ধির জন্য স্থানীয় পর্যায়ের উৎপাদিত পশুখাদের পুষ্টি মিক্সডের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও সরবরাহ সহজ করার জন্য হিমাগারের বিদ্যুৎবিলের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) সম্পূর্ণ রূপে প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে লিভার সংক্রান্ত জটিল রোগের ওষুধের উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে মূসক প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ফটোনির্মাণ শিল্প প্রায় ধ্বংসের পথে। তাই এ শিল্পের ওপর মূসক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।
একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত আয়রন অক্সাইডের ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ মূসক প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাল্ব ও এর উপকরণের ওপর মূসক অব্যাহতির মেয়াদ ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। তথ্য প্রযুক্তি বিকাশে হাইটেক পার্ক নির্মাতাদের বিদ্যুৎ বিল ও বিনিয়োগ সেবার ওপর মূসক মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
এদিকে প্লাস্টিক বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ মূসক প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। সৌরবিদ্যুতের ৬০ এম্পিয়ার পর্যন্ত ব্যাটারির উৎপাদনে মূসক অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। পাটজাত পণ্যের স্থানীয় বিক্রির ওপর মূসক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাট ও পাটজাত পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন ফি’র ওপর বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। ওষুধ রপ্তানির কর অব্যাহতির বাৎসরিক সীমা ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।