ঢাকাMonday , 1 June 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেসির সাফল্যের নেপথ্যে

Link Copied!

messiস্পোর্টস ডেস্ক : ২০১৩ ও ২০১৪ সালটি খুব একটা ভালো কাটেনি লিওনেল মেসির। খুব কাছ থেকেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ব্যালন ডি’অর তুলে ধরতে দেখেছেন। সেই লিওনেল মেসিই কোনো এক জাদুর পরশে ২০১৪-১৫ মৌসুমে পুরনো রূপে ফিরে এলেন। জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে ফুটবলবিশ্বকে মোহিত করেন। আর্জেন্টিনার ক্ষুদে জাদুকরের এই সাফল্যের পেছনে তার শারীরিক গঠন ও ওজন কমানোটা অনস্বীকার্য ভূমিকা পালন করেছে বলে বোদ্ধাদের ধারণা।
২০১৪-১৫ মৌসুমে মেসির যেই পুনরুত্থান ঘটেছে, বিশেষ করে অনেকেই যে মনে করছেন এলএম টেন আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন- বার্সেলোনা তারকার এই বদলে যাওয়ার নেপথ্যে তার কঠোর ডায়েট ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বলে মনে করেন অনেকে।
ইতালির ভেনিস শহরের পুষ্টিবিজ্ঞানী জিওলিয়ানো পোজার মেসিকে তার সেরা ফর্ম ফিরে পাওয়ার জন্য সর্বাত্মক সাহায্য করেছেন এবং তাকে স্বাস্থ্য বিষয়ক বেশ কিছু টিপস দিয়েছেন যেটি এই আর্জেন্টাইন তারকা কঠোরভাবে মেনে চলেছেন বলে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মারকা জানায়। এই দুজন যখন একসঙ্গে কাজ শুরু করেন তখন থেকে এই বার্সা সুপারস্টার আগের তুলনায় বেশ স্লিম হয়েছেন। এমনকি তার ওজন চার থেকে পাঁচ কেজি কমেছে বলে জানায় মারকা।
ইনজুরি এবং নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি ঠিকমতো যত্ন না নেয়ার ফলে গত মৌসুমের অর্ধেকেরও বেশি সময় নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন লিওনেল মেসি। তবে এবারের মৌসুমে এলএম টেন নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের প্রতি বেশ মনোযোগ দেন এবং পুষ্টিবিজ্ঞানী জিওলিয়ানো পোজারের উপদেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন। যেই কারণে এই আর্জেন্টাইন তারকা ভিন্ন এক দানবে পরিণত হন, প্রতিপক্ষকে মাটিতে আনতে সক্ষম হন।
স্বাস্থ্য সচেতনতার কল্যাণে যেই অতিরিক্ত শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে লিওনেল মেসির সেটির কল্যাণে তিনি প্রতি মুহুর্তে ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষকদের সামনে ভয়ঙ্কর প্রতিমূর্তি হিসেবে ধরা দিতে সক্ষম হন। চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে মাত্র ৪টি ম্যাচ ছাড়া বাকি সবগুলো ম্যাচেই অংশ নেন এই ক্ষুদে জাদুকর। এমনকি কম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও শুরু থেকে শেষ অবধি মাঠ কাঁপিয়েছেন। মেসি অপ্রতিরোধ্য রূপে ধরা দিয়েছেন, যেই কারণে সাবেক গুরু পেপ গার্দিওলা বলতে বাধ্য হন, মেসিকে রুখার কোনো সাধ্য কারো নেই।
শারীরিক আকৃতির পরিবর্তন ঘটিয়ে লিওনেল মেসি বেশ সাফল্য লাভ করায় ২৭ বছর বয়সী এই তারকা তার জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন সতীর্থকে আসন্ন কোপা আমেরিকা কাপকে সামনে রেখে পুষ্টিবিজ্ঞানী জিওলিয়ানো পোজারের দ্বারস্থ হতে প্রভাবিত করেন।