ঢাকাSunday , 31 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এফডিসিতে চালু হলো টেলিসিনে মেশিন

Link Copied!

Fdcবিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসিতে) দীর্ঘ ছয় বছর পরে ফের চালু করা হলো টেলিসিনে মেশিন (অ্যানালগ ছবিকে ডিজিটালে রূপান্তর করার মেশিন)। ২০০৭ সালে মেশিনটি ফ্রান্স থেকে দেড় কোটি টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয়েছিলো। এরপর ২০০৯ সালে মেশিনটি বিকল হয়ে যায়। এরপর বিএফডিসি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে মেশিনটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিলেও সে উদ্যোগ আর আলোর মুখ দেখেনি। কিন্তু দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখ থেকে মেশিনটি চালু হয়েছে। মেশিনটি পুনরায় মেরামত করতে গিয়ে খরচ হয়েছে ১৮ লাখ টাকা।
কিন্তু এত টাকা খরচ করে মেশিনটি পুনরায় মেরামত করার ফলে বিএফডিসি কতটুকু লাভবান হবে? এ প্রশ্নের উত্তরে বিএফডিসির পরিচালক (কারিগরি ও প্রকৌশলী) মোহাম্মদ আজম বলেন, ‘বিএফডিসিতে বাংলাদেশের এক মাত্র টেলিসিনে মেশিন রয়েছে। আমাদের দেশে একটি ছবি অ্যানালগ থেকে টেলিমেশিনে ডিজিটাল করতে লাগে মাত্র ত্রিশ হাজার টাকা।অন্যদিকে ভারত থেকে একটি ছবি টেলিসিনে মেশিনে রূপান্তর করতে লাগে সাড়ে তিন লাখ টাকা।ছয় বছর পরে আবার আমরা উদ্যোগ নিয়ে মেশিনটি চালু করেছি।আশা করছি যাদের উদ্দেশ্যে মেশিনটি পুনরায় মেরামত করা হয়েছে তারা এর সদ্বব্যবহার করবে।’
যারা টেলিসিনে মেশিনটি ব্যবহার করবেন তারা কি বলেন এ বিষয়ে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘অনেকদিন পরে টেলিসিনে মেশিনটি আবার চালু করা হলো খবরটি খুবই ভালো। শুধু আমি একা ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করলে হবে না। কিন্তু অন্যান্য পরিচালক যারা রয়েছে তারা মেশিনটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যদি এগিয়ে না আসে তাহলে আবার একটি সময় গিয়ে মেশিনটি বিকল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে বিএফডিসিকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে। এছাড়া বিএফডিসি বেশ কম খরচেই মেশিনটি ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে।’
যারা টেলিসিনে মেশিনটি পরিচালনা করবেন তারা কতটুকু এ মেশিনের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে দক্ষ। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়,এ মেশিনটি পরিচালনা করার জন্য তৎকালীন বিএফডিসির প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন ও তার সহকারি আকলীমা আক্তার ফ্রান্স থেকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পরে এ মেশিনটি চালু হওয়ার ফলে তাদেরকেও এ মেশিনটি পরিচালনা করতে গিয়ে বেশ কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। সম্প্রতি বিএফডিসির টেলিসিনে মেশিনের মাধ্যমে ‘আসামী’ নামে পুরনো একটি ছবি অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করা হয়েছে। এছাড়া এ মেশিনের মাধ্যমে ডিজিটালে রূপান্তর করার অপেক্ষায় রয়েছে আরও প্রায় ১০টি ছবি।