ঢাকাSunday , 24 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সন্তান থাকবে ডাউন সিনড্রম মুক্ত

Link Copied!

sisuলাইফস্টাইল ডেস্ক : শারীরিক নানা প্রতিবন্ধকতা নিয়ে সন্তানের জন্ম হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ডাউন সিনড্রম। সাধারণত যেসব মায়ের বয়স বেশি তাদের সন্তানের ক্ষেত্রে এধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যেসব মায়ের প্রথম সন্তান গর্ভে আসার সময় বয়স ৩৫ বা তার বেশি থাকে তার সন্তানটির ডাউন সিনড্রম হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
গর্ভাশয়ে শিশুর জন্মের সময় ক্রোমোজোমের কোনো ত্রুটির কারণে এই সমস্যা হতে পারে। ২১ নম্বর জোড় ক্রোমোজোমে একটি এক্স ক্রোমোজোম বেশি থাকায় এমনটি হয়ে থাকে, এর ফলে রোগীর দেহকোষে একটি বাড়তি Cromosome থাকে। এই সমস্যা নিয়ে জন্মানো শিশু জন্মের সময় থেকেই কিছুটা অস্বাভাবিক থাকে। জন্মের পর এদের হাত-পা একটু কম নড়াচড়া করে, হৃদপিণ্ডে অস্বাভাবিক ছিদ্র থাকতে পারে। কিছুটা বড় হলে দেখা যায় এদের মুখাবয়ব বাবা মায়ের চেয়ে ভিন্ন। চ্যাপ্টা নাক, ছোটো চোখ, মাথার পেছনটা সমতল এবং ছোটো কান দুটো একটু নিচের দিকে বসানো থাকতে পারে। এসব লক্ষণ দেখে একজন চিকিৎসক বুঝতে পারেন শিশুটি ডাউন সিনড্রমে ভুগছে। এসব শিশুর হাত-পা ছোটো এবং হাত ও পায়ের পাতা বড় বড় হয়। এদের বুদ্ধিমত্তাও কিছুটা কম থাকে।
সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় Amniocentesis পরীক্ষাটি করালে বোঝা যায় সন্তানটি ডাউন সিনড্রম নিয়ে জন্মাবে কিনা। ক্যারিওটাইপিং (Karyotyping) পরীক্ষার মাধ্যমে ক্রোমোজোম পর্যবেক্ষণ করে ডাউন সিনড্রম নিশ্চিত করা হয়।
অধিকাংশ সময় ডাউন সিনড্রম নিয়ে জন্মানো শিশুটির চিকিৎসায় ভালো হওয়া সম্ভব নয়। এসব রোগীর গড় আয়ুও কম থাকে। শিশুর জন্মগত হৃদরোগ থাকলে সেটির চিকিৎসা করাতে হবে। উন্নত বিশ্বে এসব শিশুদের জন্য ভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এমন শিশুর মা-বাবা কে তাদের পরবর্তী সন্তান গ্রহনের ব্যাপারে সাবধান হওয়া উচিৎ। সেক্ষেত্রে চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আরেকটি সন্তান গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ।