ঢাকাFriday , 22 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুস্বাস্থ্য আর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে জিরা

Link Copied!

jiraস্বাস্থ্য ডেস্ক : রান্নার স্বাদ বাড়ানোতে জিরা অতুলনীয়। খাবারের ঘ্রাণ বাড়াতেও জিরা ব্শে পারদর্শী। রান্নায় জিরার ব্যবহার আমাদের শরীরকে নানা ধরণের মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি দেয়। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী জিরায় পাওয়া যাবে ৩৭৫ ক্যালরি, ফ্যাট ২২ গ্রাম, কোলেস্টরল নেই, কার্বোহাইড্রেট ৪৪ গ্রাম, ফোলেট ১০ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন ৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ১২৭০ আইইউ, ভিটামিন সি ৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ই ৩.৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন কে ৫.৪ মাইক্রোগ্রাম, সোডিয়াম ১৭৮৮ গ্রাম, পটাসিয়াম ৬৮ মিলিগ্রাম, খাদ্য আঁশ ১০ গ্রাম, চিনি ২.২ গ্রাম, আমিষ ১৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৯৩১ মিলিগ্রাম, লৌহ ৬৬.৩৬ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৩.৩ মিলিগ্রাম, জিংক ৪.৮ মিলিগ্রাম। জেনে নেয়া যাক জিরার অসাধারণ কিছু রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা সম্পর্কে।
* জিরার ঔষধি গুণ কিডনির পাথর প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে এবং কিডনির সমস্যা জনিত নানা রোগের সমস্যা সমাধান করে।
* রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ১ কাপ জিরার চা পান নিদ্রাহীনতা দূর করে।
* জিরাতে থাকা ভিটামিন সি ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, ফ্লু, অ্যাজমা ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।
* জিরায় থাকা খাদ্যআঁশ হজমের নানা সমস্যা সমাধান করে। জিরার এনজাইম হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
* জিরা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও দেহের টক্সিন দূর করতে জিরার জুড়ি নেই।
* জিরায় থাকা আয়রন দেহের মেটাবোলিজম সিস্টেম উন্নত করে এবং দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঠিক পরিচালনা নিশ্চিত করে। রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অর্থাৎ লোহিত রক্ত কণিকা বাড়ায়। এতে করে দূর হয় রক্তস্বল্পতার সমস্যা।
* নারীর মাসিকের সমস্যা দূর করতেও জিরা অনেক কার্যকরী।
* জিরার অ্যান্টি-কারসিনোজেনিক উপাদান ক্যান্সারের কোষ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সারের কোষ বাড়তে বাঁধা প্রদান করে।
* জিরা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ সহায়তা করে। এতে করে ডায়বেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* দিনে দু’বার এই জিরাপানি খেলে ক্ষুধা কমে যায়। খাওয়ার ইচ্ছেটা কম থাকায় সহজে ওজন কমে।
* জিরা অ্যাসিডিটির সমস্যার জন্য খুবই ভালো। তেল-চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ার পর জিরাপানি খেয়ে নিলে অ্যাসিডিটির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
* জিরাপানি পানের আর একটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি। তাই যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তারা দিনে দুইবার এই পানীয়টি পান করতে পারেন।
* জিরাপানি বমি বমি ভাব দূর করতে সাহায্য করে তাই গর্ভবতী নারীরা এটি পান করতে পারেন ‘মর্নিং সিকনেস’ থেকে মুক্তি পেতে।
* জিরা দেহকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। জিরাপানি প্রাকৃতিক ভাবে দেহের তাপমাত্রা কমায়।
* জিরা মস্তিস্কের শক্তিকে উন্নত করে। নিয়মিত জিরাপানি খেলে উল্লেখযোগ্য ভাবে স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তা তীক্ষ্ণ হয়।