নিজস্ব প্রতিবেদক : সেচকাজে পানি উত্তোলনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থাপনাকে আরো একধাপ এগিয়ে নিতে ভারতের পাম্প ও ইঞ্জিন প্রস্তুতকারী দু’টি প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে দেশটি সফর করেছেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)’র ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।
সফরকারী দলে ছিলেন বিএডিসি’র সদস্য পরিচালক (ক্ষুদ্রসেচ) মো. আতাহার আলী, প্রধান প্রকৌশলী (ক্ষুদ্রসেচ) মো. মোজাম্মেল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ক্ষুদ্রসেচ) ও পূর্বাঞ্চলীয় সমন্বিত সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়)’র প্রকল্প পরিচালক মাহবুব মুনীর এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও মুজিবনগর সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. কামরুজ্জামান। পরিদর্শনকালে তারা সাবমারসিবল পাম্প এবং ইঞ্জিন প্রস্তুত ও পরীক্ষা বিষয়ে সম্যক জ্ঞান লাভ করেন। এ সময় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)’র যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান মো. জহুরুল হক, গাজীপুরস্থ বাংলাদেশ ডিজেল প্লান্ট লি.-এর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মো. হেলাল উদ্দিন ও ঢাকাস্থ ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং লি.-এর জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী বাবু তরুন কুমার বিশ্বাসের সমন্বয়ে অপর একটি দলও তাদের সাথে ছিলেন।
প্রতিনিধি দলের সূত্রমতে, ভারতের শক্তি সাবমারসিবল পাম্প প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান শক্তি পাম্প লি. ও কিরলস্কার ডিজেল ইঞ্জিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কিরলস্কার অয়েল ইঞ্জিন লি.-এর আমন্ত্রণে গত ৩০ এপ্রিল হতে ৬ মে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান দুটো পরিদর্শন করেন সফরকারীরা। প্রথমে তারা ভারতের ইন্দোর মধ্য প্রদেশে শক্তি পাম্প লি. পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সাবমারসিবল পাম্প প্রস্তুতে বিভিন্ন পর্যায়ে রোবোটিক এ্যাকশন, ক্যাথডিক ইলেকট্রিক ডিপোজিটসহ সকল পর্যায় এবং সাবমারসিবল পাম্প টেস্টের বিভিন্ন পর্যায় প্রত্যক্ষ করেন। এরপর ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে অবস্থিত কিরলস্কার অয়েল ইঞ্জিন লি.-এর কারখানায় ইঞ্জিন প্রস্তুত ও টেস্ট কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। কারখানা দু’টিতে টেস্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করে বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। এ সময় তারা সাবমারসিবল পাম্প ও ইঞ্জিন প্রস্তুত ও পরীক্ষা বিষয়ে সম্যক জ্ঞান লাভ করেন। সফরকালে আহরিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের সেচকাজে সাবমারসিবল পাম্প ও ইঞ্জিন দিয়ে পানি উত্তোলন এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ও ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষিখাতে অবদান রাখবে বলে মনে করেন সফরকারী দলে অংশ নেয়া কর্মকর্তারা।


