নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে কর্মরত বিশেষ সহকারী, প্রেস কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিষয়ে গণমাধ্যমে করা প্রতিবেদনকে ‘অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে বিএনপি। এতে বলা হয়েছে, নির্বাহীর কমিটির দুই নিয়োগ দেয়া হয়েছে দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে।
দলটির সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন সাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কোন পদে নিয়োগ দান বা বহির্বিশ্বের কোন দেশে বিএনপির প্রবাসী নেতা-কর্মীদের সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত কমিটিকে অনুমোদন দেয়া সম্পূর্ণরূপে বিএনপির দলগত সিদ্ধান্ত। এই ধরণের দলীয় সিদ্ধান্তের জন্য চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী বা তার ব্যক্তিগত স্টাফদের কোন ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। তারা কেবল চেয়ারপারসনের পক্ষ হতে তার বক্তব্য বা সিদ্ধান্তটুকু মিডিয়া উইং এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাধ্যমে প্রচার করে থাকেন।
এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে যে দুটি নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তা বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই হয়েছে। চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপির বেশিরভাগ সিনিয়র নেতাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে কারারুদ্ধ করে রাখায় দলের কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থেই এই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া যুক্তরাজ্য বিএনপির কমিটি গঠিত হয়েছে সেখানে প্রবাসী বিএনপির নেতা-কর্মীদের সম্মেলনের মাধ্যমে। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি সেই কমিটিকে অনুমোদন দিয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি’র নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় সাংগঠনিক/দাপ্তরিক কাজের সংকটে এবং সেখানে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে দুইজন দক্ষ সংগঠককে সেখানে সাময়িকভাবে পদায়ন করা হয়েছে।
এই ধরণের নিয়োগ, অনুমোদন বা পদায়ন একটি রাজনৈতিক দলে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ঘটনা। সেই ঘটনাকে ষড়যন্ত্রের কাহিনী হিসেবে প্রচার করা নিতান্তই দুর্ভাগ্যজনক এবং সাংবাদিকতার নীতি বর্হিভূত আচরণ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

