নিজস্ব প্রতিবেদক : পানিচুক্তি, শান্তিচুক্তি, সীমান্তচুক্তির মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ একটি একটি করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শেষ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষকলীগ আয়োজিত ‘১৭ মে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘৯৬ সালে আওয়ামী ক্ষমতায় এসে ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করেছে, পার্বত্য শান্তিচুক্তির মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শান্তি বিরাজ করছে, সমুদ্রজয় করে আরেকটি বাংলাদেশ অর্জন করেছে এবং ৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ধারাবাহিতকায় সীমান্ত চুক্তি কার্যকর করছে।’
শিল্পমন্ত্রী বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তারা সবসময় আওয়ামী লীগকে ভারতের দালাল বলে অভিহিত করেন। কিন্ত সীমান্ত চুক্তি নিয়ে তারা ভারতকেই অভিনন্দন জানান। অথচ যার নেতৃত্বে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে সেই শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে ভুলে যান।’
আমির হোসেন আমু আরো বলেন, ‘২০ দলীয় জোটের হরতাল–অবরোধ জনগণ গ্রহন করেননি তাই তারা জনগণের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছেন। আওয়ামী লীগ ও আন্দোলন সংগ্রাম করেছে কিন্তু পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছিল বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় না।’
আওয়ামী লীগের এ উপদেষ্টা বলেন, ‘বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাচিত জীবন যাপন শেষে ৩৪ বছর আগে এমনি দিনে দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছেন শেখ হাসিনা। ১৫ আগস্ট হাসিনা-রেহানা দেশে থাকলে তাদেরও হত্যা করতো একাত্তরের এই পরাজিত শক্তি। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বলেছিলেন রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে দেবেন। তিনি তাই করেছিলেন। তার আমলে ময়মনসিংহের কৃষি বিদ্যালয়ের ১১ জন ছাত্রকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশে ছাত্র হত্যার রাজনীতি শুরু হয়েছিলো।’
২১ বার হত্যা চেষ্টার পর ও সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আল্লাহ শেখ হাসিনাকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছেন বলে মন্তব্য করেন আমির হোসেন আমু।
সংগঠনের সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা প্রমুখ।

