ঢাকাTuesday , 19 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিরোধের কারণ কাজপাগল সঙ্গী!

Link Copied!

workaholicলাইফস্টাইল ডেস্ক : সঙ্গী কাজ করেন কর্পোরেট অফিসে, আপনার আছে অঢেল সময়। সঙ্গী নিজের মনকে ডুবিয়ে রেখেছেন কাজের মধ্যে। তার শরীরে ক্লান্তি আসলেও মনে থাকে ছুটে চলার তাগিদ। অপরদিকে নিজের টুকিটাকি কাজ আর তাকে মিস করার মধ্য দিয়ে দিন পার হয় আপনার। তাই বিশ্রামে থেকেও আপনার মন হয়ে উঠেছে ক্লান্ত।
সঙ্গীকে নিয়ে ভাবছেন অনেক বেশি। নিজের অজান্তেই তার কাছে বেড়ে যাচ্ছে আপনার চাহিদা। সে যেন আপনাকে অনেক বেশি সময় দেয়- এমনটাই অভিমানী মনের দাবি। সেই দাবি মেটাতে সক্ষম না হলে সঙ্গীর সঙ্গে অহেতুক কারণেও বেধে যাচ্ছে কলহ। দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্কে প্রায়ই এধরনের বিরোধ দেখা যায়। প্রতিযোগিতার এই সময়ে সঙ্গীকে না বোঝার কারণে এধরনের সমস্যা বেড়ে চলেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
এই বিরোধের প্রধান কারণ হল সঙ্গীর কাজ পাগল মন। অথচ, আপনি যদি সঙ্গীকে কাজের প্রতি উৎসাহ দেন তাহলে আর কোনো ঝগড়ায় থাকে না। এক্ষেত্রে আপনাকে সঙ্গীর কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ, কর্পোরেট অফিসের নিয়ম, সঙ্গীর কাজের গুরুত্ব, তার বাধ্যবাধকতা, সীমাবদ্ধতা বুঝতে হবে। তারপর দিনের সময়কে ভাগ করতে হবে পুরো কাজ জুড়ে। সেখানে বাড়ির প্রতি বা অফিসের বাইরে তার সময় দেয়ার সক্ষমতা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
সঙ্গী যদি কোনো কর্পোরেট অফিসে চাকরি করেন তবে অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে যে এটা খুব বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। কারণ এখানে তাকে নানা ধরনের গ্রাহকের সঙ্গে সময় দিতে হয়। দেশের বাইরের গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে রাতেও তাকে কাজ করতে হতে পারে। যখন আপনি সঙ্গীর কাজের প্রকৃতি বুঝতে পারবেন তখন বিষয়গুলো সহজভাবে নিতে পারবেন।
বিপরীতে আপনি যদি তার কাজের প্রতি উৎসাহী না হন, দিনের পর দিন অভিযোগের বোঝা চাপিয়ে দেন তবে তার উভয় কাজই ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। সে না পারবে অফিসে মন দিতে, না পারবে সংসারে মন দিতে। তাকে কখনোই অন্যের সঙ্গে তুলনা করার মতো বোকামি করবেন না। যদি আপনার সঙ্গী কাজ পাগল হয় তবে বুঝতে হবে তিনি সংসারের উন্নতি চান।
আপনি তার সঙ্গে সপ্তাহের ছুটির দিনে ঘুরতে যেতে পারেন। অবসরে তার অন্তরিকতা বোঝার চেষ্টা করুন। মাঝে মাঝে লাঞ্চ বা কফি ব্রেকে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে চমকে দিতে পারেন। গরম এক কাপ কফির উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে সম্পর্কের উজ্জ্বলতা। এভাবে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে পারেন। যেসব কাজ আপনি নিজেই করতে পারেন, সেসব কাজ তার ওপর চাপিয়ে দেবেন না। তাতে আপনারও সময় কাটবে, তারও চাপ কমবে। সম্পর্কের মধ্যেও একটা সামঞ্জস্যতা আসবে।