নিজস্ব প্রতিবেদক : কর্মচারীতের তীব্র আন্দোলনের হুমকিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টোরকিপারের বদলি বাতিল করলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) কর্তৃপক্ষ। এতে সোমবার সকাল থেকে সাময়িক বন্ধ থাকা হাসপাতালের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, বগুড়া থেকে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টোরকিপার (মেডিসিন) রেজাউল করিমকে চলতি দায়িত্বে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়। তিনি গত ১১ মে ঢামেক হাসপাতালে যোগদান করেন। ঢামেক কর্তৃপক্ষ তার জন্য একটি রুমও বরাদ্দ দেয়। বিষয়টি ঢামেক হাসপাতালের কর্মচারীদের মধ্যে জানাজানি হলে তাদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম নেয়।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকাল থেকে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীরা মেডিকেলে বিক্ষোভ প্রদশর্ন করে। এতে হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অনেক রোগীকে চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে। একপর্যায়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা এক হয়ে ঢামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এএসএম শহীদুল্লাহর কার্যালয় ঘেরাও করে।
ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন স্টোরের দায়িত্বরত ইনচার্জ মজিবুর রহমান বলেন, ‘যে লোকটিকে (রেজাউল করিম) বগুড়া থেকে বদলি করে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার চাকরির বয়স মাত্র ৪ বছর। আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাজাপাতালে দীর্ঘ দিন ধরে অনেকেই এ পেশায় কাজ করছেন। তাদেরকে কোনো পদোন্নতি না দিয়ে, বলা নেই কওয়া নেই কিভাবে বাইরে থেকে এনে একজন লোককে যোগদান করালো তা আমাদের জানা নেই। তাই এই বদলি বাতিলের দাবিতে ঢামেক হাসপাতাল কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল খালকের নেতৃত্বে কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে হাসপাতালের সামনে বিক্ষাভ পদর্শন করে।’
ঢামেক হাসপাতাল কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল খালেক বলেন, ‘ওই কর্মচারীর বদলি হাসপাতাল থেকে বাতিল করার জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি। হাসপাতালের প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান ছুটিতে থাকায় উপ-পরিচালক বরাবর বদলি বাতিলের আবেদন করেছি। আমরা বলেছি, যদি এই বদলি বাতিল করা না হয় তাহলে আমরা আরো কঠোর আন্দোলনে যাবো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপ-পরিচালক ওই কর্মচারীর বদলি বাতিল করেছেন। তাই আমাদের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি। সবাই কাজেও যোগ দিয়েছি।’

