ঢাকাSunday , 17 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে

Link Copied!

Sultana kamalবাগেরহাট প্রতিনিধি : সরকার জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।
তিনি বলেন, ‘বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড যেখানে সকলের কাছে নিন্দনীয় সেখানে বিনাবিচারে একের পর এক ক্রসফারের মাধ্যমে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা না থাকার কারণে বড় কোনো সন্ত্রাসীকে ক্রসফায়ার দিলে কোন কোনো অঞ্চলের জনগণ উল্লাসিত হয়। সেটা ক্রসফায়ারের সমর্থনে করছে, এটা বলা যাবে না।’
রোববার দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম ও আস বাংলাদেশ আয়োজিত মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও আমাদের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতানা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এখন যেখানে আছে সেখান থেকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আর রাষ্ট্রের এ দায়িত্ব পালন করতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘন হলে রাষ্ট্র জবাবদিহি করবে।’
মানবপাচারের ব্যাপারে সুলতানা কামাল বলেন, ‘দেশে কোনো জবাববদিহিতা না থাকায় এখনও আমাদের অসংখ্য অভিবাসি অসহায়ের মতো সমুদ্রে ভাসছে। এসব অসহায় মানুষ যেকোন সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারে। কোনো দেশ তাদের আশ্রয় দিচ্ছে না, মানুষ হিসেবে আমাদের যে জবাবদিহিতা সেখানে কিভাবে বলবো, আমরা আসলে একটা সভ্য সমাজে বসবাস করছি?’
রামপাল ও মংলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করছে। তাই সুন্দরবনকে বাঁচাতে সরকার বাগেরহাটের রামপাল ও মংলায় যে দু’টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে তা বন্ধ করতে হবে।’
পহেলা বৈশাখে নারী প্রতি যৌন হয়রানি প্রসঙ্গে সুলতানা কামাল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকে তখন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীর ওপর যদি অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়ন হয়ে থাকে তাহলে সেই দায় দায়িত্ব ওই প্রতিষ্ঠানকে নিতে হবে। তারা কখনও দায় এড়াতে পারে না। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি বন্ধে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যৌন হয়রানি বন্ধে প্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষকে সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
আস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মো. কারুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, অধ্যপক বুলবুল কবীর, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলী বাবু প্রমুখ।