জুডিশিয়াল ব্যবস্থা কে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হবে, ঠাকুরগাঁওয়ে মতবিনিময় সভার বক্তব্যে বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরো বলেন, জনতার অভ্যুত্থানের পরে অন্তবর্তীকালীন সরকারের (ইউনুস সরকার ) আমলে সাংবিধানিক পরিবর্তন, রাষ্ট্রীয় পরিবর্তন, রাষ্ট্রীয় কাঠামো পরিবর্তনের জন্য কতগুলো কমিশন তৈরি করেছেন। ৬ টি কমিশন। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুডিশিয়াল কমিশন। এখানে কতগুলো বিষয় এসেছে, দুই কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালু করন। চেক এন্ড ব্যালেন্স ব্যাবস্থা মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষার জন্য ।লয়ার হাউস একক ভাবে ক্ষমতাসীন হবে না। যদি এক ব্যক্তি বেশি দিন ক্ষমতায় থাকে সে কর্তৃত্ববাদী হয়ে যায়। তারপরে স্বেচ্ছাচারিতা হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে দুই ট্রামের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না। আমরা প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে যাচ্ছি । আমরা জুডিশিয়াল ব্যবস্থাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিব । বিএনপির মহাসচীব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হচ্ছে ও গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যাচ্ছে।
অন্তর্বতী সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থির মনোনয়ন দিয়েছে। দেশে নির্বাচনি আবহ সৃস্টি হয়েছে। তাই বিএনপি আশাবাদী, কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ২৬ এর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর বিকেলে ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।। এ্যাডভোকেট মোঃ এনতাজুলের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন এ্যাডভোকেট বাদল, শেখর, হালিম , মৃদুল প্রমূখ।

