বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, বাংলাদেশ এখন গণহত্যাকারী ঘসেটি বেগম শেখ হাসিনামুক্ত। হাজার হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করেছেন খুনি শেখ হাসিনা। তিনি এখন ভারতে বসে ষড়যন্ত্র শুরু করছেন। গণহত্যার জন্য শেখ হাসিনার বিচারসহ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হোক। আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল। তাই এদেশে গণহত্যারী আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। প্রতিটি হত্যা ও অন্যায়ের বিচার করা হবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে শহরের আলাইপুরের জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিশাল গণজমায়েতে দুলু এসব কথা বলেন। দুলু বলেন, তার সময়ে নাটোরের মাটিতে কোনো সন্ত্রাস চাঁদাবাজি হয়নি। নাটোরকে আমি শান্তির শহর রেখে গিয়েছিলাম। অথচ খুনি শেখ হাসিনার দোসররা গত ১৫ বছরে শান্ত নাটোরকে অশান্ত করে তুলেছিল। খুন-গুম ও লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটিয়েছে। ৫ আগস্ট থেকে মানুষ মুক্ত বাতাস নিচ্ছে। নাটোরের মাটিতে আর কোনো সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করতে দিব না। কোন হত্যা বা গুমের ঘটনা হতে দিব না। নাটোর আবারও শান্তির শহর হবে।
তিনি বলেন, খুনি শেখ হাসিনাসহ তার মন্ত্রী এমপিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। একই সঙ্গে নাটোরের আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ তাদের কাছে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ২০০৮ সালে আমি নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় যেতে পারিনি। সেটা ছিলো ষড়যন্ত্র। ২০১৮ সালে নির্বাচন হয়নি। আর ২০২৪ সালে ডামি নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেছেন শেখ হাসিনা। এভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে তারা হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। অবিলম্বে আটক সব নেতাকর্মীর মুক্তি ও তাদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি।
জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোর্শেদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহিন, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম প্রমুখ।

