নাটোর প্রতিনিধি : নাটোর শহরের তেবাড়িয়া হাটে যুবলীগ কর্মী ও ব্যবসায়ী মামুন হোসেন (৩৮) নামের একজন যুবলীগ কর্মীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার কাছ থেকে গরু কেনার ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে শহরের তেবাড়িয়া হাটের ধানহাটায় এ ঘটনা ঘটে। মামুন হোসেন সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের সিংহারদহ পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। এ ব্যাপারে মামুন হোসেন জানান, রোববার আমার বাবা গরু কিনতে তেবাড়িয়া হাটে যায়। গরু পছন্দ হলে বাবা আমাকে বাসা থেবে ৪২ হাজার টাকা নিয়ে হাটে যেতে বলে। আমি টাকা নিয়ে তেবাড়িয়া হাটে পৌচ্ছামাত্র স্থানীয় যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামের সমর্থক বলে পরিচিত পালিত সন্ত্রাসী কুরবান আলীর ছেলে রাব্বেল, শুকুর আলীর ছেলে রাসেল, মৃত মনু মিয়ার ছেলে বাবু ও বাবুল মেম্বারের ছেলে সুমনের নেতৃত্বে লোহার রড, হাসুয়া, হাতুড়ি নিয়ে আমাকে ঘিরে ধরে এবং এলোপাথাড়ি মারপিট করে আমার পকেটে থাকা ৪২ হাজার টাকা নিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আমি হাটের ইজারাদারদের কাছে বিচার দিলে তারা সন্ত্রাসীদের বিচারে অপরাগতা প্রকাশ করে। পরে আমি নাটোর সদর থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করি। যুবলীগ কর্মী মামুন অভিযোগ করেন, যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম এর পালিত সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে তেবাড়িয়া হাটসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ সন্ত্রাসী কর্মকা- করে আসছে। এদের কারণে হাটে আসা ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কিন্তু হাট কমিটি কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। স্থানীয় যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কোন পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী নেই। তেবাড়িয়া হাটে মামুনকে মারপিট ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি। বরং মামুনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আমার ভাই ব্রাদার মারপিট করেছে।
নাটোর সদর থানার ওসি জানান, এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

