ঢাকাSunday , 27 September 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদ্রাসার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জালিয়াতি করে বাণিজ্যের অভিযোগ

Link Copied!

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জালিয়াতিসহ নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সদ্য জাতীয়করণকৃত দাসিয়ারছড়ার শেখ ফজিলাতুন্নেছা দাখিল মাদ্রাসার সাবেক সুপার আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ছিটমহল বিনিময়ের পর বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাবেক সিটমহল দাসিয়ারছড়ায় শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় একমাত্র ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শেখ ফজিলাতুন্নেছা দাখিল মাদ্রাসা। অভিযোগে জানা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালগ্নে সাবেক সুপার আমিনুল ইসলাম ১২ জন শিক্ষক কর্মচারি নিয়োগ দিয়ে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। সুপারের বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিটমহল আন্দোলনের নেতা আলতাফ হোসেন ও তৎকালীন সহ- সুপার শাহানুর আলম ৩ মার্চ, ২০১৮ তারিখে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ২০ জুন, ২০১৮ তারিখে সরেজমিনে অভিযোগ তদন্ত করেন তৎকালীন জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদের কাজী।
তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি ৩২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ, মাদ্রাসার ২৭ শতাংশ জমি নিজের নামে রেকর্ড, অবৈধ প্রভাব খাটানোসহ নিজের পরিবারের লোকদের নিয়ে কমিটি গঠনের অভিযোগের প্রমাণ পান মর্মে উল্লেখ করেন। তিনি প্রহসনমূলকভাবে গঠিত কমিটি ভেঙে দেয়ার সুপারিশ করেন। এমতাবস্থায় সুপার আমিনুল ইসলাম ৩০ জুন, ২০১৮ তারিখে পদত্যাগ পত্র জমা দেন; যা ৭ জুলাই, ২০১৮ তারিখের ম্যানেজিং কমিটির সভায় গৃহীত হয়। ঐ বছরের ৪ জুলাই সহ-সুপার শাহানুর আলমকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব দেয়া হয়। আরও জানা যায়, সাবেক সুপার আমিনুল ইসলাম উপজেলার মধ্য কাশিপুর দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভি পদে কর্মরত রয়েছেন। যাহার ইনডেক্স নং জ-২০০৬৫২৮। এরপর ১৪ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে মাদ্রাসাটি জাতীয়করণের ঘোষণায় আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন সাবেক সুপার আমিনুল ইসলাম। এর দু’দিন পর তিন শতাধিক স্থানীয় লোক নিয়ে মাদ্রাসা জবরদখলের চেষ্টা করেন। তৎকালীন জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের নির্দেশে পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয় বলে জানান বর্তমান সুপার। বর্তমান সুপার শাহানুর আলম জানান, ২ জুলাই, ২০১৮ তারিখের দৈনিক জনতা পত্রিকায় ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়ে ব্যাকডেটে পুনরায় তৎকালীন কমিটির কাছে সুপার হিসেবে নিয়োগ নেন তিনি। কিন্তু ঐ তারিখের পত্রিকায় কোন প্রকার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি। এরপর আরো আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। ভুয়া রেজুলেশন ও কাগজপত্র তৈরি করে পূর্বে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে আবারো লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ঐ প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষকগণ। সেই সাথে ব্যাহত হয়ে পড়েছে সদ্য জাতীয়করণের ঘোষণা হওয়া মাদ্রাসাটির শিক্ষা কার্যক্রম। উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এ ব্যাপারে সাবেক সুপার আমিনুল ইসলারে সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন কেটে দেন।