জামালুদ্দিন হাওলাদার, চট্টগ্রাম : পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে চাকরি নেন কক্সবাজারের উখিয়ার হলিদিয়া পালংয়ের বাসিন্দা সুজন বড়ুয়া। এরপর একের-পর এক রহস্যজনক পদোন্নতি নিয়ে হয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক। তবে গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারিকৃত ‘জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর’ (ডিএসআই) থেকে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক (ডিএইচএস) পদে পদোন্নতির তালিকায় ঠাঁই হয়নি সুজনের।
এদিকে সুজন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে বান্দরবানে এক নারী উপজাতি স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বান্দরবান সিভিল সার্জনের গঠিত তদন্ত কমিটি। কিন্তু সুজন ঘটনার পরপরই অলৌকিকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজে ফেনীতে পাড়ি দেয়ায় ধামাচাপা পড়ে এই যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের মামলা। চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে সম্প্রতি এসব অভিযোগ প্রকাশ হওয়ার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। তবে এই তদন্ত কমিটি সুজন বড়ুয়া’র ‘স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে একই সংস্থায় দু’চাকরি, উপজাতি নারী স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে যৌন হয়রানি ও তার রহস্যজনক পদোন্নতি’ প্রকাশ পাওয়া অভিযোগের নয়, তদন্ত করবে কারা এসব কেলেংকারির খবর সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কে বা কারা জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে। তদন্তে উঠে আসা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা।
এই তদন্ত কমিটিতে আছেন কারা : চট্টগ্রামের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. অসীম কুমার নাথকে এই কমিটির সভাপতি করে হয়। এছাড়া চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান সদস্য সচিব এবং ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্প কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিমকে কমিটির সদস্য করা হয়। গত ২ সেপ্টেম্বর এই তদন্ত কমিটি গঠনের পর এর অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ফেনী, রাঙামাটি, বান্দরবানসহ সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট ৯ দপ্তরে।
তদন্ত কমিটি নিয়ে পরিচালক স্বাস্থ্য’র বক্তব্য : এই তদন্ত কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে স্বনামে বেনামে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের কতিপয় কর্মচারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রেরণ করেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সুজন বড়ুয়া প্রতিকার চেয়ে পরিচালক-স্বাস্থ্য বরাবরে একটি আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
স্বাস্থ্যের চট্টগ্রামের এই পরিচালকের নিকট জানতে চাওয়া হয়- সুজন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে উঠা জাল-জালিয়াতি, দু’চাকরি, রহস্যজনক পদোন্নতি ও যৌন কেলেংকারির উঠে আসা ঘটনায় আপনার দপ্তর থেকে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, তার বিরুদ্ধে সুর্নিদিষ্ট কোনো অভিযোগকারী তথা বাদী নেই। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার এখতিয়ার আমার নেই। এটা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মিনিস্ট্রি দেখবে। সুজনের বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের কোনো জবাব মিলেনি স্বাস্থ্যের চট্টগ্রামের এই পরিচালকের নিকট।
ডিএইচএস পদোন্নতিতে নেই সুজন : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকার পর গত ২১ জুলাই জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টরদের (ডিএসআই) ১৫ জনকে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক (ডিএইচএস) পদে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে ডিএসআই ও ডিএইচএস পদোন্নতি-পদায়ন যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনের এই সংস্থাটি। ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারাদেশের বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে করা সেই তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। আর ওই ডিএইচএস পদোন্নতি তালিকায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার অবস্থান ২২ নম্বরে। যাচাই-বাছাই শেষে সেই তালিকার ১৫ জনকে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক পদে পদোন্নতি দেয়া হলেও পদোন্নতি থেকে বাদ পড়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়কের পদে থাকা সুজন বড়ুয়াসহ মোট ৭ জন। যদিও সুজন বড়ুয়া প্রায় দু’বছর এই পদ ব্যবহার করে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। হয়েছেন ড্রয়িং ডিস্বার্সিং অফিসার।
সুজনের জালিয়াতির তথ্য প্রকাশ করায় শাস্তি : অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও রাঙামাটি-বান্দরবান দু’পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে বিভিন্ন সময় সুজন বড়ুয়ার জাল-জালিয়াতি অনিয়ম ও যৌন হয়রানির একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। এরমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এসব অভিযোগ তদন্ত না করেই অভিযোগের মাধ্যমে অনিয়ম ও জাল-জালিয়াতির প্রকাশ করে দেয়ার অভিযোগে উল্টো অভিযোগকারীদেরকে বিভিন্ন সময় শাস্তি প্রদান করে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
যখন থেকে সুজনের জাল-জালিয়াতি শুরু : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার ও বান্দরবানের স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতির করে একই সংস্থায় দু’চাকরি নেয়ার অভিযোগ দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর পরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি পাঠায় দুদক। সুজনের জাল-জালিয়াতির তথ্য-উপাত্তসহ মাঠ পর্যায়ে পর্যায়ে তদন্ত করে দুদককে অবহিত করার জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব অভিযোগের (তথ্য-উপাত্ত, জাতীয় পরিচয়পত্র, তার স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরিকালীন ঠিকানা, নাইক্ষ্যংছড়ির ভূমির মালিক ও তার সাথে সম্পর্ক, বোমাং রাজার সনদ, তার সার্ভিস বুকের দুই ঠিকানার) কিছুই তদন্ত না করে দুদকে অসত্য প্রতিবেদন জমা দিয়ে সুজনের এসব জাল-জালিয়াতির ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হয়।
দু’চাকরির স্থায়ী ঠিকানায় যা উল্লেখ করে সুজন : সুজন বড়ুয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে জমাপড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০০৪ সালে ‘স্বাস্থ্য সহকারী’ পদে চাকরি নেন সুজন বড়ুয়া। সেই সময় তার স্থায়ী ঠিকানা দেখান কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলিদিয়া উইনিয়নের মরিচ্যা পালং গ্রাম। ওই গ্রামের-ই বিমল বড়ুয়ার পুত্র তিনি। ‘স্বাস্থ্য সহকারী’ পদে প্রায় ৮ বছর চাকরি করার পর এই চাকরি থাকা অবস্থায় ২০১২ সালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে আবারও চাকরি নেন সুজন। এই চাকরির নিয়োগপত্রে তার স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয় ‘পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বালুখালী উত্তর ঘুনধুম বড়ুয়া পাড়া’। কারণ জেলা পরিষদের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ব্যতীত বাইরর প্রার্থীদের আবেদন করার সুযোগই ছিল না।
রাঙামাটি জেলা পরিষদের নিয়োগ পূর্ব-শর্ত : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ৮ নম্বর শর্ত উল্লেখ রয়েছে, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চাকরির জন্য আবেদন করতে হবে। এছাড়া যোগদানের আগে সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতিপত্র গ্রহণ করতে হবে। তবে নিয়োগের এসব শর্ত কোনটিই মানেননি সুজন বড়ুয়া। নতুন চাকরির আবেদন ও নিয়োগপত্রে স্থায়ী ঠিকানা পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুনধুম বড়ুয়া পাড়া দেখালেও সুজন বড়ুয়া মূলত কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলিদিয়া পালং গ্রামের বাসিন্দা। ২০১২ সালে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে নতুন চাকরি নিয়ে পার্বত্য রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে যোগদানের পরপরই সুজন বড়ুয়া’র স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি খবর বেরিয়ে আসে।
রাঙামাটি থেকে পালিয়ে বান্দরবানে আশ্রয় : রাজস্থলী উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে যোগদান করার পরই সুজন বড়ুয়ার পার্বত্য ভুয়া নাগরিকত্ব ও জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কোটায় চাকরি নেয়ার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন রাঙামাটির স্থানীয়রা। এই অভিযোগের পরই গোপনে স্ট্যান্ড রিলিজ নিয়ে চলে যান বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখান থেকে নিজ বেতনে পদায়ন হন বান্দরবান জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে।
যৌন নির্যাতনে বিভাগী মামলা ও স্ট্যান্ড রিলিজে ধামাচাপা : বান্দরবানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর হওয়ার উপজাতি মারমা সম্প্রদায়ের এক নারী স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনায় বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি বরখাস্ত হন সুজন। ওই সময় মামলার তদন্তে জেলার সিভিল সার্জন থানটি উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তকে কর্মকর্তা নিয়োগ করেনে। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষ না করতেই অলৌকিকভাবে সুজন বান্দরবান থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ নিয়ে ফেনী জেলা সিভিল সার্জন অফিসে চলে যায়। কিন্তু পরে জানতে পারি তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
স্ব-বেতনে পদায়নের ছলে কৌশলে যেসব পদোন্নতি : ২০০৪ সালে স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি জীবন শুরু করেন সুজন বড়ুয়া। স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে ২০১২ সালে শুরুতে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে যোগ দেন তিনি। এরপর জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সর্বশেষ বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক পদে পদায়ন হন অলোকিকভাবে। এসব নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন চলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিকে পুরোপুরি আড়াল করেই।
অভিযোগ প্রসঙ্গে সুজনের বক্তব্য : উঠে আসা অভিযোগ প্রসঙ্গে সুজন বড়ুয়া বলেন, এর সবকিছুই ষড়যন্ত্র। কর্মদক্ষতায় অল্প সময়ে পদোন্নতি পেয়ে বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক হয়েছি। তিনি বলেন, ‘পূর্বে কক্সবাজারের উখিয়ায় স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি করাকালিন সময়ে ২০১১ সালে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে জমি কিনে স্থানীয় বাসিন্দা হয়েছি। বাবা-মা সহ অন্যরা সবাই উখিয়ায় আছে। আমি এখন বান্দরবানের বাসিন্দা। ২০১২ সালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নাইক্ষ্যংছড়ি স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করে আবেদন করি। পরে এই ঠিকানাতেই উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে পদোন্নতি নিয়েছি।’ তবে এটা নতুন কোনো নিয়োগ না। সুজনের দাবি, বান্দরবানের অতিত সিভিল সার্জন নিজ দায়িত্বে তদন্ত করে নিজেই সুজনকে নিষ্পাপ সনদ দিয়েছেন।
সুজনের তথ্য গোপন প্রসঙ্গে আইনজীবীর বক্তব্য : সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট জয়নাল আবদীন সম্রাট বলেন, ‘সরকারের পার্বত্য বিধি অনুযায়ি সমতলের অ-উপজাতিদের তিন পার্বত্য জেলায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পূর্ব অনুমতি ব্যতীত ভূমি ক্রয়-বিক্রয়, লিজ, নামজারি ও বাসিন্দা হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। যদি সমতলের কোনো ব্যক্তি পাহাড়ে গোপনে জমি ক্রয় করেন; তা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।
যা বললেন পরিচালক-স্বাস্থ্য ও সিভিল র্সাজন : সুজন বড়ুয়ার এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো ধরনের বক্তব্য দেয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। একই পথ অনুসরণ করে চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এসবের সবকিছুই জানা আছে।

