ঢাকাSaturday , 29 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কোটিপতি বাবার সম্পদবঞ্চিত হওয়া একমাত্র ছেলের আত্মহত্যা!

Link Copied!

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : মাছের পোনা বিক্রেতা ও শুটকির দোকানদার আবুল হোসেনকে এলাকায় সবাই চিনে ‘সুদি আবুল’ হিসেবে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি হয়ে উঠেন কোটিপতি। অঢেল সহায় সম্পদের মালিক হলেও একমাত্র ছেলে মানিক মিয়া ছিলেন সবকিছুতেই অবহেলিত ও বঞ্চিত। সম্প্রতি নিজের বেশকিছু সহায় সম্পদ ছেলেকে না দিয়ে তিন মেয়ের মধ্যে বণ্টন করে দেয়। এতে বঞ্চিত ছেলে মানিক প্রতিবাদ করেও কোনো ফলাফল না পেয়ে ক্ষোভে কষ্টে বিষপান করে আত্মহনন করেন। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের রাজিবপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আবুল হোসেনের তিন মেয়ে ও একমাত্র ছেলে মানিক মিয়া (২৫)। নিজের সহায় সম্পদ বলতে কিছু না থাকলেও এলাকায় ঘুরে মাছের পোনা বিক্রি ছাড়াও স্থানীয় বাজারে শুটকির ব্যবসা করতেন। এ অবস্থায় অল্প কিছুদিনের মধ্যে আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়ে যান। মোটা অংকের সুদে টাকা ধার দেওয়া শুরু করেন এলাকায়। এতে গত ১০ বছরে তিনি হয়ে যান কোটিপতি। এলাকার মানুষ সুদের টাকা দিতে না পারলে নিজের নামে লিখে নেন সহায় সম্পদ। এলাকার লোকজন জানান, এতো সহায় সম্পদের মালিক হলেও নিজের ছেলেকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে দূরে সরিয়ে রাখেন। বাবা-ছেলের মাঝে এ ধরনের ঘটনায় বেশ কয়েকবার সালিশ দরবারের ঘটনাও ঘটে। কিন্তু সব সময়েই ছেলে বঞ্চিত হয়ে আসে সবকিছু থেকে। সম্প্রতি আবুল হোসেন নিজের সহায় সম্পদের বেশকিছু অংশ তিন মেয়ের নামে লিখে দেন। এতে ছেলে প্রতিবাদ করলে তাকে বিভিন্ন কটূক্তি করে অপমানিত করে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুব্ধ ও অপমানিত ছেলে মানিক বিষপান করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে মারা যায়। স্থানীয়রা মনে করছেন, সকল সহায় সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ক্ষোভে কষ্টে মানিক আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। জানা যায়, মানিক বিবাহিত ও তিন মেয়ের বাবা। মানিকের বাবা আবুল হোসেন জানান, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের কারণেই তার ছেলে বিষপানে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। নিজের সহায় সম্পদ নিয়ে কোনো বিরোধ ছেলের সাথে তার ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।