ঢাকাThursday , 27 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুন্সীগঞ্জে বন্যায় সড়কের ক্ষতি ৪০ কোটি টাকা

Link Copied!

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জে বন‌্যায় প্রায় অর্ধশতাধিক কাঁচা-পাকা সড়কে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। যার সম্ভাব‌্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার(২৭ আগস্ট) মুন্সীগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মো. রফিকুল হাসান জানান, এ বছরের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় মুন্সীগঞ্জের ছয় উপজেলার প্রায় ৪৯টি সড়কের ৭৫ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে এসব সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। কিছু এলাকায় বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর রাস্তায় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। বিঘ্ন ঘটেছে যোগাযোগ ব্যবস্থার।
মুন্সীগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় জেলায় এ পর্যন্ত ৭৫ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে ৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
এরমধ্যে জেলার সদর উপজেলায় ১২টি সড়কে ৪৬ দশমিক ১২ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় ৪টি সড়কে ২২ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। শ্রীনগর উপজেলায় ৮টি সড়কে ১৮ দশমিক ১ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
গজারিয়া উপজেলায় ৬টি সড়কে ২৩ দশমিক ৫৩ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। লৌহজং উপজেলায় ৫টি সড়কে ১০ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ১৩টি সড়কের ৪৮ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।
সদর উপজেলার বাসিন্দা রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘অন‌্যবারের চেয়ে এবার বন‌্যা বেশি দিন ছিলো। এখন বন‌্যার পানি নেমে গেলেও সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।’
প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসান বলেন, ‘প্রথম দফায় ৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি দেখিয়ে মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় স্থানীয়ভাবে আরেকটি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হচ্ছে। সব মিলেয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। বন্যার পানি পুরোপুরি সরে গেলে চূড়ান্ত হিসাব দেখানো যাবে।’