জাবি সংবাদদাতা : ‘র্যাগিং একটি অপসংস্কৃতি। এ অপসংস্কৃতি থেকে সবাইকে বের হয়ে আসতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় র্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস গড়া সম্ভব।’
বলেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এম.পি। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং বিরোধী র্যালি উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওপর র্যাগিং প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার র্যাগিং বিরোধী সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম ক্যাম্পাস থেকে র্যাগিং মুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘র্যাগিং যেমন অপরাধমূলক কর্মকান্ড তেমনি এ অপরাধে যারা জড়িত থাকবে তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। র্যাগিংয়ের বিষয়ে প্রমাণ পেলেই বহিষ্কার করা হবে।’
এ সময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, ছাত্র-কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. রাশেদা আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল দশটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা র্যাগিং বিরোধী প্লাকার্ড বহন করে শহীদ মিনার চত্বরে সমবেত হয়। ‘যে সিনিয়র ম্যানারস শেখায়, সেই সিনিয়র ভালোবাসে না’, ‘ফাপড় আর ইন্টিমেসি-এক সঙ্গে হয় না’, ‘নিজেদের দেব চেক, দেব না আর র্যাগ’, ‘ভয় দেখিয়ে ভাই ডাকিয়ে, ভাই হওয়া যায় না’, র্যাগিং এর মধ্যে নয়, এসো ভাই- বোনের সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করি’- ইত্যাদি শ্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড বহন করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
সোমবারও ‘অমর একুশ’ ভাস্কর্যের সম্মুখ থেকে র্যাগিং বিরোধী র্যালি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।

