ঢাকাSunday , 24 February 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিবিএসকে দুষলেন এইচ টি ইমাম

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুরান ঢাকার ভবন ও রাসায়নিক কারখানা সম্পর্কে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কাছে তথ্য না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে দোষারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।
রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ : পরিসংখ্যানের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বিবিএসের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রাজধানীর চকবাজারের চুরিহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসনও দায়ী বলে মন্তব্য করেন এইচ টি ইমাম।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চকবাজারে অনেকগুলো দালানকোঠা এবং সেখানে নিষিদ্ধ নানারকম রাসায়নিক পদার্থ আছে। কিছু কিছু অতি দাহ্য, মারাত্মক এবং খুবই ক্ষতিকারক। সরকারের বিভিন্ন সময়ে বাধা-নিষেধ সত্বেও তারা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় যায়নি। সেগুলো কীভাবে ওখানে থাকল? আপনারা কী হিসাব করেছিলেন? বিবিএস কি কখনো ওখানে গেছে? কোনো বিষয়ে পরিসংখ্যান বা সুষ্ঠু তথ্য ব্যবস্থাপনা থাকলে সরকারের জন্য ওই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়।
এইচ টি ইমাম বলেন, আমার মনে হয়, এখন এগুলোও জানতে হবে। জানতে হবে এজন্য যে, কোনটি ক্ষতিকর, কোনটি ভালো এবং কার কোথায় থাকা উচিত, কাকে কোথায় স্থানান্তর করা প্রয়োজন।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উপজেলা পর্যন্ত আপনাদের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা আছে। উপজেলায় আপনাদের দপ্তর আছে। আপনাদের গাড়ি দেওয়া আছে। আপনারা বলতে পারবেন না, আমার ক্ষমতা নেই বা চলাফেরার অসুবিধা আছে। সেক্ষেত্রে আপনাদের নতুন যে ক্ষমতা আছে, সেটা প্রয়োগ করা শিখুন। সরকারকে তথ্য দিন।
ফায়ার সার্ভিসের ব্যর্থতা তুলে ধরে এইচ টি ইমাম বলেন, ফায়ার ব্রিগেডের দায়িত্ব ছিল প্রতি বছর গিয়ে প্রতিটি ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করা। তারপর ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার দায়িত্ব ছিল সিটি করপোরেশনের। তাদের দায়িত্ব ছিল গিয়ে দেখা, কারা কারা ওখানে আছেন? তারা কী ধরনের ব্যবসা করছেন? সেগুলো ক্ষতিকর, ভালো নাকি মন্দ। এসব ছাড়াও এমনিতেই সেখানে কিছু কেমিক্যাল থাকে, যেগুলো বন্ধ থাকলেও পরিবেশের ক্ষতি করে। এসব থেকে নানা রকম অসুখ-বিসুখ হচ্ছে এখন। সেগুলো তো দেখা দরকার।
পুলিশও তাদের দায়িত্ব পালন করেনি, অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘পুলিশ তো সময়মতো দেখেনি। এখন বলা হচ্ছে, প্রভাবশালী মহলের কারণে সেখান থেকে কেমিক্যাল ব্যবসায়ীদের সরানো যায়নি। তারা কারা? তাদেরকে তো খুঁজে বের করা উচিত ছিল। এসব বিষয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য ব্যবস্থাপনা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে।