স্পোর্টস ডেস্ক : টেস্টে সিরিজ হারের পর ওয়ানডের শুরুতেই ভিন্ন পাকিস্তানকে দেখেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আগের দুই ওয়ানডেতে সমানে সমান থাকার পর তৃতীয়টিতে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ছিল সরফরাজ আহমেদের দলের। কিন্তু সেঞ্চুরিয়নে আগে ব্যাট করে বড় পুঁজি পেয়েও বৃষ্টি বাগড়ায় ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে হেরেছে দলটি।
টস জিতে সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পোর্টস পার্কে আগে ব্যাটিং নেয় পাকিস্তান। সেখানে ইমাম-উল হকের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৬ উইকেটে ৩১৭ রান করে দলটি। এরপর বৃষ্টির বাগড়ায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময়ে ৩৩ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৮৭ রান। আর খেলা না হওয়ায় ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ১৩ রানে জয়ী হয় প্রোটিয়ারা। আর এ জয়ে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডেতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান শুরুতে ফখর জামানকে (২) হারালেও ইমাম ও বাবর আজম টেনে তোলেন দলকে। দুজনই পূরণ করেন হাফসেঞ্চুরি। বাবর ফিফটি পূরণ করে ৬৯ রানে আউট হলেও ইমাম তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। ১১৬ বলে ৮ বাউন্ডারিতে এই ওপেনার করেন ১০১ রান।
তাদের সঙ্গে হাফসেঞ্চুরি পেয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজও। ৪৫ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। এরপর শোয়েব মালিকের ৩১ ও ইমাদ ওয়াসিমের হার না মানা ৪৩ রানে ভর করে পাকিস্তান ৬ উইকেটে করে ৩১৭ রান।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকর কুইন্টন ডি কক ও হাশিম আমলার উদ্বোধনী জুটি থেকে পায় ৫৩ রান। আমলা ২৫ রানে আউট হলে ভাঙে তাদের জুটি। ডি ককও বেশিদূর যেতে পারেননি, ফেরেন ৩৩ রান করে। তাদের আউটের কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় বৃষ্টি।
প্রথমবার বৃষ্টি শেষে খেলা শুরু হলে মাঠে নামেন রিজা হেনড্রিকস ও ফাফ ডু প্লেসি। তারা দুজনে অবিচ্ছিন্ন ১০৮ রানে জুটি গড়েন।এরপর দ্বিতীয় দফার বৃষ্টিতে মাঠ ভেসে গেলে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে জয়ী হয় দ. আফ্রিকা। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা হেনড্রিকস অপরাজিত ছিলেন ৮৩ রানে। তার সঙ্গে ৪০ রানে অপরাজিত ছিলেন ডু প্লেসি।

