ঢাকাSunday , 23 December 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অদিতিও বললেন ‘মি টু’

Link Copied!

বিনোদন ডেস্ক : ভারতীয় অভিনেত্রী অদিতি রাও হায়দারি। তামিল, মালায়ালাম ভাষার পাশাপাশি বর্তমানে বলিউডে নিয়মিত অভিনয় করছেন এই অভিনেত্রী।
এদিকে যৌন হেনস্তা নিয়ে সোচ্চার বলিপাড়া। ‘হ্যাশট্যাগ মি টু’ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের সঙ্গে ঘটা নানা আপত্তিকর মুহূর্তের কথা তুলে ধরছেন অভিনয়শিল্পীরা। কিছু দিন আগে অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে শুটিং সেটে হেনস্তার অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। এরপর থেকে বলিপাড়ায় রীতিমতো ঝড় বইছে। কুৎসিত সব ঘটনার সঙ্গে প্রকাশ্যে আসছে বেশ কিছু বড় বড় নির্মাতা ও অভিনেতার নাম। এবার ‘মি টু’ আন্দোলনের সঙ্গে সুর মিলিয়ে তার ঘটনা প্রকাশ করলেন অদিতি।
এক অনুষ্ঠানে অদিতি বলেন, ‘আমার মনে পড়ে, যখন অভিনয় শুরু করি তখন খুবই সহজ সরল ছিলাম কারণ আমি রক্ষণশীল পরিবার থেকে এসেছি। চলচ্চিত্র জগতে এমনটা (হেনস্তা) ঘটে-এই গুঞ্জন যে সত্য তা আমার জানা ছিল না। সত্য বলতে আমার সঙ্গে আগে এমনটা ঘটেওনি। আমার সঙ্গে একটি ঘটনাই ঘটেছে, তবে এতে আমার খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। তবে হ্যাঁ, আমি কাজটি হারিয়েছিলাম কারণ আমাকে শর্ত দেয়া হয়েছিল- হয় এটা না হলে ওটা। আমি না বলাটাই ভালো মনে করেছি এবং সেখান থেকে চলে এসেছি।’
ঘটনাটি অদিতিকে বেশ হতাশ করেছিল এবং তিনি ভেবেছিলেন ভবিষ্যতে তিনি কখনো কাজই পাবেন না। তবে ওই ঘটনার আট মাস পর কাজ পান এ অভিনেত্রী। অদিতি আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, সম্পূর্ণ প্রস্তুত হওয়ার পরই কোনো কিছু নিয়ে কথা বলা উচিৎ। আর যখন আপনি কথা বলবেন না, তখন সবাই বলা শুরু করবে-তারা এর জন্য কোনো কিছু পেয়েছে অথবা তারা এ বিষয়ে নীরব আছে।’
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অদিতি বলেছিলেন, ‘আমি কাজ হারিয়েছিলাম এবং কেঁদেছিলাম। এ নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা ছিল না কিন্তু আমি এই ভেবে কেঁদেছি যে, মেয়েদের সঙ্গে এমন আচরণটাই করা হয়। আমার মনে হয়েছিল-একজন আমার সঙ্গে কীভাবে এ ধরনের কথা বলার সাহস করে! আট মাস আমি কোনো কাজ পাইনি। তবে মনে করি, আমি যে ধরনের কাজ করতে চাই তা বাছাই করতে ওই সিদ্ধান্ত আমাকে শক্তি যোগায়।’