ঢাকাTuesday , 11 December 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২২টি যুদ্ধ শেষে ১১ ডিসেম্বর মুক্ত হয়েছিল কুষ্টিয়া

Link Copied!

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা : ১৯৭১ সালের ১৬ এপ্রিল থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২টি যুদ্ধ শেষে ১১ ডিসেম্বর মুক্ত হয়েছিল কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়া সদরের বংশীতলাযুদ্ধসহ ছোট বড় ২২টি যুদ্ধ শেষে মুক্তি ও মিত্রবাহিনী কুষ্টিয়া দখল নিতে আসছিল। ঠিক তখন ১০ ডিসেম্বর সকালে কুষ্টিয়া শহরের দক্ষিণে চৌড়হাস এই বিমান চত্বরে মেইন রাস্তার উপর পাক বাহিনীর অ্যাম্বুশে পড়েন তারা। শুরু হয় ত্রিমুখী যুদ্ধ। এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। এখানে মিত্র বাহিনীর ৭০ জন শহীদ হন।
১০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলার সমস্ত এলাকা স্বাধীন ও শত্রু মুক্ত হয়। কুষ্টিয়া শহর স্বাধীন ও শত্রু মুক্ত হয় ১১ ডিসেম্বর ।
পাকিস্তান বাহিনীর অপারেশন সার্চ লাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১টায় যশোর থেকে পাকবাহিনী এসে কুষ্টিয়া দখল করে নেয়। এক নাগাড়ে ৩০ ঘন্টার জন্য সান্ধ্য আইন জারি করে সশস্ত্র অবস্থায় কুষ্টিয়া শহরে টহল দিতে থাকে। সান্ধ্য আইন ভেঙ্গে মুক্তিকামী মানুষ বেরিয়ে পরে রাস্তায়। তৈরি করে ব্যারিকেড। বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ ইট-পাটকেল, কাটা গাছের গুড়ি, ঘরের চালা নিয়ে এসে সেনাবাহিনীর চলাচল বিঘ্নিত করতে ব্যারিকেড তৈরি করে। সেনাবাহিনী সেগুলো সরিয়ে মারমুখী হয়ে যায়। পাকিস্তান বাহিনীর সাথে সাধারণ মানুষের শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ।
১৮ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নৃশংস হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। এখানে শিশু সহ হত্যা করা হয় মোট ১৬ জনকে।
বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা ৮ নং সেকটরের অধীন ছিল। মেজর আবৃ ওসমান চৌধুরী ৮ নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কুষ্টিয়া শহরের আগে ৪ ডিসেম্বর খোকসা, ৭ ডিসেম্বর মিরপুরের আমলাসদরপুর, ৮ডিসেম্বর দৌলতপুর, মিরপুর, ভেড়ামারা, ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী হানাদারমুক্ত হয়। আর কুষ্টিয়া মুক্ত হয়েছিল ১১ ডিসেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের ৫দিন আগেই শত্রুমুক্ত হয় এই জনপদ।
কুষ্টিয়াতে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের জোনাল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ চৌধুরী কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বরে অফিসিয়ালী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে জোনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি এম শামসুল হক কে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বভার দেন।