ঢাকাSunday , 16 September 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৮ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি যৌক্তিক

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : পোশাক শ্রমিক ও মালিক পক্ষের স্বার্থ রক্ষার জন্য ঘোষণা করা ৮ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি যৌক্তিক বলে মনে করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। রোববার সচিবালয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বিএসআরএমের লভ্যাংশের টাকার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই পক্ষের স্বার্থ রক্ষার জন্য ন্যূনতম মজুরি যৌক্তিক মনে করে আমরা ৮ হাজার টাকা ঘোষণা করেছি। ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আগে আমি আনঅফিসিয়ালি শ্রমিক, শ্রমিক ফেডারেশন, ইউনিয়ন- অনেকের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারাও বলেছেন, যদি ৮ হাজার টাকা হয়, তাহলে হয়তো সবাই সেটা গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ গার্মেন্ট শ্রমিক এটা মেনে নেবেন। ন্যূনতম বেতন নিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই। কারণ, মজুরি ৫১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
‘বেতন বাড়িয়ে দিলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। এতে শ্রমিকরা চাকরি হারাবেন। যেসব সংগঠন এগুলো বলছে (ন্যূনতম মজুরি প্রত্যাখ্যান), তারা আসলে কতটুকু শ্রমিকদরদী আর কতটুকু অন্য উদ্দেশ্য তাদের, সেটা আমার কাছে প্রশ্ন’, বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ন্যূনতম মজুরিকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীলতার কোনো আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে মুজিবুল হক বলেন, এমন উদ্দেশ্যমূলকভাবে কাজ করা কিছু কিছু সংগঠন আছে। আমরা খুবই কেয়ারফুল। উদ্দেশ্যমূলকভাবে যদি কিছু করতে চায় তবে তারা কিছু করতে পারবে না। কারণ, সাধারণ শ্রমিকদের সমর্থন আমাদের সঙ্গে আছে। তাই কোনো সমস্যা হবে বলে আমি মনে করি না। অসন্তোষ না হওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্ট অনুযায়ী মজুরি ঘোষণা করেছি।
তিনি বলেন, নতুন বেতন নিয়ে অসন্তোষ হওয়ার কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। ভাল কাজ করলে কেউ না কেউ বিরোধী তো থাকেনই। ১ লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবেন এতে হয় না, আরো লাগবে।’
‘আমার মনে হয় না শ্রমিক অসন্তোষ…। কিছু কিছু শ্রমিক সংগঠন আছে, তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। দুই-তিন বছর আগে হঠাৎ করে দেখলাম, তারা কিছু শিশুকে প্রেসক্লাবে দাঁড় করিয়ে বলছেন, তারা রানা প্লাজায় মৃত ব্যক্তিদের সন্তান। আমি খবর নিলাম যে, তাদের এতিমখানা থেকে আনা হয়েছে। এরাই আইএলওর কাছে দরখাস্ত করেছিল। পরে আমি আইএলওর ডিজিসহ যারা আছেন তাদের দেখালাম, এই দেখেন প্রমাণ, এতিমখানা থেকে আনা হয়েছে,’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি কোনো কোনো শ্রমিক সংগঠন মানতে চাইছে না, এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কে মানবেন, কে মানবেন না, সেটা তাদের বিষয়। তবে এটা মিনিমাম, এর নিচে বেতন দেওয়া যাবে না।
তিনি বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক মালিকরা অবকাঠামো উন্নয়ন করেছেন। এতে তাদের শত শত কোটি টাকা খরচ হয়েছে। কারখানা কমপ্লায়েন্স করার পরও ক্রেতারা দাম কমিয়েছেন। তারা একদিকে কমপ্লায়েন্স করার জন্য চাপ দেয়, অপরদিকে দাম কমিয়ে দেয়। তারা আসলে দ্বিমুখী আচরণ করে, এটা ঠিক না।’
গত বৃহস্পতিবার সরকারের পক্ষ থেকে পোশাক শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ৫১ শতাংশ বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করার ঘোষণা দেওয়া হয়। বর্তমানে এই মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা। নতুন মজুরি আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।