কক্সবাজার সংবাদদাতা : কক্সবাজারে র্যাবের নতুন পাঁচটি ক্যাম্পের যাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার নতুন পাঁচটি ও আগের দুটিসহ মোট সাতটি ক্যাম্পের সদস্যরা যৌথভাবে কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া ও টেকনাফে টহল দিয়ে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন শুরু করে।
সূত্র জানায়, টেকনাফের ওপারে মিয়ানমার। সীমান্তে পাহারার জন্য বিজিবি এবং নৌপথ পাহারার জন্য কোস্টগার্ড রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে পুলিশ। তারপরও ইয়াবা পাচার বন্ধ হয়নি। তাই ইয়াবা বন্ধে এই নতুন পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, নতুন পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, টেকনাফ সদর, বাহারছড়া ও হোয়াইক্যংয়ে।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় কক্সবাজারের লিংকরোড় থেকে র্যাবের যৌথ টহল শুরু হয়। এতে অংশ নেয় এক সঙ্গে ২৪টি টহল দল। টহল দলটি কলাতলী মোড় হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূণরায় কলাতলী মোড়ে মিলিত হয়। এরপর সেখান মেরিন ড্রাইভ সড়ক হয়ে সোনারপাড়া সড়ক দিয়ে উখিয়া-টেকনাফ সড়কে উঠে। সেখান থেকে টেকনাফ গিয়ে যৌথ টহল শেষ হয়।
সমুদ্র সৈকতের দরিয়ানগর এলাকায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন র্যাব-৭ কক্সবাজার সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদি হাসান। তিনি বলেন, দেশব্যাপী র্যাবের ‘চলো যাই মাদকের বিরুদ্ধে’ শীর্ষক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কক্সবাজারকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে টেকনাফে নতুন করে র্যাবের পাঁচটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, নতুন র্যাব ক্যাম্পগুলো পরিদর্শনের জন্য আগামী ২ আগষ্ট কক্সবাজার আসার কথা রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও র্যাবের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের।

