ঢাকাThursday , 26 July 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সোনা, কয়লা, রিজার্ভ গায়েব ধামাচাপা দিতে চায় সরকার

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সোনা, রিজার্ভ এবং খনি থেকে কয়লা গায়েবের বিষয়গুলো সরকার ধামাচাপা দিতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘দেশে এখন গায়েবী শাসন চলছে। চারদিকে এখন শুধু গায়েবের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। এদেশে মানুষ গায়েব হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ গায়েব হয়, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্ট থেকে সোনা গায়েব হয়, সোনা গায়েব হয়ে মিশ্র ধাতুতে পরিণত হয়, শেয়ার বাজারের টাকা গায়েব হয়, এখন অমূল্য সম্পদ দেশের খনি থেকে লাখ লাখ টন কয়লাও গায়েব হয়ে গেছে। এ নিয়ে এতো আলোড়ন তৈরি হলেও সরকার তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।’
দেশের সম্পদ গায়েবের ঘটনার দায় প্রধানমন্ত্রী এড়াতে পারেন না মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নিজে। এই লাখ লাখ টন কয়লা গায়েবের দায় তিনি এড়িয়ে যেতে পারেন না। সত্যিকারের গণতান্ত্রিক দেশ হলে প্রধানমন্ত্রী এতো বড় কেলেঙ্কারির দায়ে পদত্যাগ করতেন।’
তিন সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘পুলিশি গ্রেপ্তারি অভিযানের মধ্যে ভোট জালিয়াতির মহা উৎসবে খুলনা ও গাজীপুরের নির্বাচন তাদের (সরকার) দৃষ্টিতে যদি গুড হয়ে থাকে, তাহলে আগামী তিনটি সিটি করপোরেশনের বেটার নির্বাচনের চেহারাটা কী হবে তা নিয়ে দেশবাসী আতঙ্কবোধ করছে।’
সিটি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তারাও নৌকার পক্ষে কাজ করছেন। নির্বাচন কমিশন নিজেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে গ্রেপ্তার, গণগ্রেপ্তার, হয়রানি, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধাসহ নানা বিষয়ে কমিশনের অভিযোগের পাহাড় জমা হলেও গতকাল ইসি সচিব বলেছেন-সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’
‘অথচ কমিশনের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছিল-তিন সিটি নির্বাচনে কাউকেই গ্রেপ্তার করা যাবে না। ইসি সচিবের এই বক্তব্য পক্ষপাতমূলক এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্তরায়, বলেন রুহুল কবির রিজভী।