ঢাকাTuesday , 24 July 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোটের প্রচারে মিনুর ‘মিথ্যাচার’, লিটনের প্রতিবাদ

Link Copied!

রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থীর ভোটের প্রচারণায় অংশ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র নির্বাচিত হলে পদ্মা নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে সেখানে পার্ক নির্মাণ করা হবে।
তবে মিনুর এমন বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ আখ্যায়িত করে এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন লিটন। বলেছেন, মিনুর বক্তব্য কাল্পনিক। এটা মিথ্যাচার-অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়। নৌকার বিজয় বুঝতে পেরে বিএনপি নদীর ধারের বসতি উচ্ছেদ করে পার্ক নির্মাণসহ নানা বিষয়ে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করছে। এভাবে ভোটারদের আকৃষ্ট করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার সকালে নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কেদুর মোড় এলাকার নদীর ধারের বসতিগুলোতে গণসংযোগে যান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। এ সময় তার সঙ্গে সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনুও উপস্থিত ছিলেন। গণসংযোগের একপর্যায়ে পথসভা করেন বিএনপি নেতারা।
সেখানে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, বিএনপির গণজোয়ার দেখে সরকার দলীয় প্রার্থীর ঘুম হারাম হয়ে গেছে। রাতে তার ঘুম হচ্ছে না। তাই উল্টাপাল্টা বকছেন। তিনি নদীর ধারের দীর্ঘদিনের বসতি উচ্ছেদ করে পার্ক তৈরি করবেন। একেই বলে জনদরদী। বসতভিটা থেকে মানুষকে উচ্ছেদ করে তার পার্ক তৈরির স্বপ্ন কোনো দিন পুরণ হতে দেয়া হবে না। জীবন দিয়ে হলেও নদীর ধার এলাকার বসতি রক্ষা করা হবে বলেও ঘোষণা দেন এই বিএনপি নেতা।
তবে সোমবার নগরীর মঠপুকুর এলাকায় গণসংযোগকালে নদীপাড়ের বসতি উচ্ছেদের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমি কখনও কোথাও বলিনি যে মেয়র নির্বাচিত হলে বসতি উচ্ছেদ করা হবে। আমি বলছি, নির্বাচিত হলে আমি বসতিবাসীর কল্যাণেই কাজ করবো। তাদের ভালো আবাসনের ব্যবস্থা করবো। উন্নত জীবন দিব।
সাবেক সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমরা অতীতে কোনো বসতি উচ্ছেদ করিনি, ভবিষ্যতেও ইচ্ছে নেই। বসতি উচ্ছেদ তো আমাদের কাজ নয়। বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন, ছিন্নমূল মানুষদের জন্যে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছেন। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অনুদান এনে ভূমিহীন ও ছিন্নমূল মানুষদের আবাসনের ব্যবস্থা করবো।
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি লিটন আরও বলেন, অপপ্রচার করা বিএনপির কেন্দ্রীয় অভ্যাস। কয়েকদিন আগে তারা নিজেরাই নিজেদের পথসভায় বোমা হামলা চালালো। এভাবে তারা ভোটারদের সহমর্মিতা অর্জনের চেষ্টা করেছিল। বোমা হামলা নিয়ে অপপ্রচার চালালো, এটা আওয়ামী লীগ করেছে। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গেছে। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা এ ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এখন তাদের ভোটারের সামনে যাওয়ার মুখ নেই। তাই মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে তারা ভোটারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন।
এদিকে গণসংযোগকালে বিএনপি প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে। এখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। পুলিশ গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। এভাবে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, নির্বাচনে পুলিশকে ব্যবহারের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কেনো ভিত্তি নেই। কারণ, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। বিএনপির জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে। তাদের নিজেদের মধ্যেই প্রচুর বিভাজন, তাদের কাজের মধ্য দিয়েই তা প্রমাণিত হয়েছে। কোনো সমন্বয় নেই, পোস্টার-লিফলেটও ঠিকমতো লাগাতে পারেনি কর্মী সংকটের কারণে। তারা নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল করে, বোমাবাজি করে।