সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে তিন মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীসহ অন্য ছয় প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন ও সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মেয়র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়।
বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- এহসানুল হক তাহের, মুক্তাদির হোসেন তাপাদার ও কাজী জসিম উদ্দিন। তারা তিনজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান জানান, ওই তিন প্রার্থীর প্রত্যেকে তিনশত ভোটার সমর্থকের তালিকা নির্বাচন অফিসে জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু তালিকার ভোটারের নাম, ঠিকানা ও ভোটার নম্বরের মধ্যে গড়মিল থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
কামরান-আরিফ ছাড়াও মেয়র পদের বৈধ অপর প্রার্থীরা হলেন বিএনপি নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ইসলামী আন্দোলনের ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন ও সিপিবি-বাসদ সমর্থিত প্রার্থী আবু জাফর।
সোমবার সকাল থেকে সিসিকের ১৯ থেকে ২৭নং সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ৭ থেকে ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় এক কাউন্সিলর প্রার্থী ও চার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এর আগে রোববার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিন ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের প্রথম ১৭টি এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রথম ৬টির কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। বাছাইয়ে চার নারীসহ ১০ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। সব মিলিয়ে তিন মেয়রসহ ১৮জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
বিধি মোতাবেক আগামী তিন দিনের মধ্যে তারা বিভাগীয় কমিশনার ড. মোছাম্মাৎ নাজমানারা খানুমের কাছে এ ব্যাপারে আপিল করতে পারবেন বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান।
আগামী ৯ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীরা স্বশরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। ওই দিন বিকেলে প্রার্থীদের তালিকা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। পর দিন প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। এরপর প্রচারে নামবেন প্রার্থীরা। আর ভোটগ্রহণ করা হবে ৩০ জুলাই।

