ঢাকাSunday , 8 April 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শান্তর তৃপ্তি, শান্তর অতৃপ্তি

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতি ম্যাচে রান পাবেন না,নাজমুল হোসেন শান্তর অবুঝ মন তা মানতে চায় না। প্রতি ম্যাচেই তার রান চাই। তাই শান্তর রানের ক্ষুধাও শেষ হয় না।
‘ব্যাটসম্যান হয়ে যদি রান না করি তাহলে কেমন হলো’ নিজের কাছেই মাঝে মাঝে হেরে যান বাঁহাতি ওপেনার। এজন্য প্রিমিয়ার লিগে ৭৪৯ রান করেও তৃপ্ত নন শান্ত। কিন্তু এ রান তো প্রিমিয়ার লিগে আর কেউ করতে পারেননি। তাহলে তৃপ্ত নন কেন শান্ত?
‘আমার ‍দুটি ডাক আছে জানেন তো! সেগুলো যদি না হতো তাহলে তৃপ্ত হতাম। দুটি ডাক ইনিংসে এমনভাবে আউট হয়েছি যে নিজের কাছে মনে হয়েছে আমি খেলা পারি না! ব্যাটসম্যান তো আউট হতেই পারেন? বোলাররা ভালো বল করলে তো আউট হবেনই? উত্তরটা শান্ত দিলেন ফ্রন্টফুটে এসে,‘তা তো অবশ্যই। আউট হব, রান করতে পারব না; এটা সত্য। কিন্তু যেসব বল আমি খুব সহজভাবে খেলি, যেসব বলে রান পাই সেসব বলে কেন আউট হব?’
এর উত্তরও শান্তর নিজের কাছেই আছে। বললেন,‘হয়তো মনোযোগ ওই জায়গায় সরে গিয়েছিল কিংবা আমি ভিন্ন কিছুর চিন্তায় ছিলাম আগের থেকেই। এজন্য বলগুলো ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারিনি।’
ঢাকা লিগে তার সাফল্যের পাত্র টইটুম্বুর। চারটিসেঞ্চুরিসহ৫৭.৬১গড়ে রান করেছেন। সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংসগুলো বড় করেছেন। আবাহনীকে শিরোপা জেতাতে সবথেকে বড় ভূমিকা তার। সেই জায়গা থেকে তৃপ্ত শান্ত। অন্তত তার অবদান ভেস্তে যায়নি।
‘আবাহনীকে চ্যাম্পিয়ন করাতে ভূমিকা রেখেছি এটা অনেক বড় পাওয়া। আমার প্রতিটা ইনিংস যেগুলো ভালো করেছি সেগুলো কাজে এসেছে। এজন্য অবশ্যই তৃপ্ত। দলগত পারফরম্যান্সে আমরা জিতেছি। এটাই সবথেকে বড় পাওয়া।’-বলেছেন শান্ত।
সর্বোচ্চ রান আর বড় ইনিংস পেতে শান্তকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। অবাহানীর সিনিয়র এ ক্রিকেটার মূলত দেখভাল করেছেন পুরো দলকে। অধিনায়কত্ব না করলেও তার পরামর্শে চলেছে। শান্তকেও লিগের মাঝপথে দিয়েছিলেন উপদেশ।
যেটা শান্তর কাজে এসেছে সাফল্য পেতে। সেই গল্পই শোনালেন বাঁহাতি ওপেনার,‘লিগেরশুরুরদিকে বড় ইনিংস পাচ্ছিলাম না। মাশরাফি ভাই বকা দিত। কারণ আমাকে নিয়ে ‍উনার বড় প্রত্যাশা। সেই বকাটা আমার কাছে অনুপ্রেরণা। ম্যাচের আগে বলত,‘নেটে ব্যাটিংয়ের দরকার নেই। ম্যাচে ব্যাটিং করবি।’ কেন বলেছেন সেটা পরেবুঝেছি। আমি যেন নেটে আমার ব্যাটিং নিয়ে বেশি মাথা না ঘামাই এজন্য তখন এই উপদেশ দিয়েছিলেন। সেটাই কাজে এসেছে। দুই একটি ম্যাচে আমি সহজাত ব্যাটিং করি তখনই বুঝে যাই যে উনি আসলে কি বুঝাতে চেয়েছিলেন।’
প্রত্যেক ক্রিকেটারের মতো শান্তরও স্বপ্ন জাতীয় দল। একটি টেস্ট খেলা হয়েছে জাতীয় দলের হয়ে। এরপর ফেরা হয়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটে গত এক বছর দারুণ করছেন প্রতিভাবান এ ক্রিকেটার। যেকোনো সময় খুলতে পারে তার জাতীয় দলের দরজা। তবে সেসব নিয়ে এখনই ভাবছেন না। নিজের কাজটা শতভাগ দিয়ে করতে চান। মাশরাফি তাকে বলেছেন, লম্বা রেসে ঘোড়া। শান্তরও এই বিশ্বাস। লম্বা দৌড়ের জন্য দৌড়াতে চান।