নিজস্ব প্রতিবেদক : কুমিল্লায় সিজার করার সময় এক নারীর জরায়ুসহ নবজাতকের মাথা বিছিন্ন করার ঘটনা পুনরায় তদন্তে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের গাইনী বিভাগের প্রধান ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. শায়লা খাতুনকে নিয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই কমিটিকে ঘটনা তদন্ত করে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
অপারেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচ ডাক্তারকেও ওই দিন উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তবে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ও কুমিল্লা মেডিক্যালের পরিচালককে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন।
আদালতে বিবাদীদের পক্ষে আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু ওই ঘটনায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের করা প্রতিবেদন আদালতে তুলে ধরেন। এরপর আদালত বলেন, যেহেতু এ প্রতিবেদনটি তিনজনের করা, আমরা চাচ্ছি বাইরে কাউকে দিয়ে করা একটি তদন্ত প্রতিবেদন আসুক। এর আগে আদালতের তলবে হাজির হন কুমিল্লার সিভিল সার্জন, কুমিল্লা মেডিক্যালের পরিচালক ও অপারেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচ চিকিৎসক।
গত ২৫ মার্চ সিজার করার সময় এক নারীর জরায়ুসহ নবজাতকের মাথা বিছিন্ন করার ঘটনায় কুমিল্লার সিভিল সার্জন, কুমিল্লা মেডিক্যালের পরিচালক ও অপারেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫ চিকিৎসককে তলব করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়।
‘ডাক্তার দুই খণ্ড করলেন নবজাতককে’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন।

