আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ভারতে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দিল্লি পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম ভিকি।নয়াদিল্লির রাজেন্দ্র নগরে তিনি একটি কোচিং সেন্টার চালান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। লাজপত নগরের এক নারীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এই নারীও একটি কোচিং সেন্টার চালান। যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রথম প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, সেই গ্রুপের অ্যাডমিন এই নারী।
এদিকে সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি ও দশম শ্রেণীর গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। অভিভাবকদের কষ্ট এবং ছাত্রছাত্রীদের পরিস্থিতি আমি বুঝতে পারছি। আমি নিজেও একজন বাবা। আমি কাল সারারাত ঘুমাতে পারিনি।’
এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত ২৫ জনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে কোনও বড়সড় অপরাধ চক্র রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এদিকে আবার পরীক্ষা দিতে হবে শুনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রশ্নফাঁস যেখানে শুধুমাত্র দিল্লিতে হয়েছে, সেখানে কেন গোটা দেশে আবার পরীক্ষা নেয়া হবে, সেই প্রশ্ন তাদের। দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি ও দশম শ্রেণীর গণিত পরীক্ষা আবার নেয়া হবে বলে বুধবারই জানিয়ে দেয় সিবিএসই।
গোটা দেশের পাশাপাশি বিদেশের সিবিএসই স্কুলেও আবার পরীক্ষা নেয়া হবে। কারণ এবার ভারত ও বিদেশের সিবিএসই স্কুলের জন্য একটি প্রশ্নপত্র করা হয়েছিল।

