ঢাকাThursday , 8 February 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মনপুরার লোকালয়ে হরিণের বিচরণে মুগ্ধ মানুষ

Link Copied!

ভোলা সংবাদদাতা : ভোলা জেলার বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরার আলমনগরে হরিণের বিচরণ দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থী। কারণ এখানেই বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা অবধি দেখা মেলে হরিণ ঝাঁকের। লোকালয়ের কাছাকাছি এমন দৃশ্য মুগ্ধ হওয়ার মতোই।
বিকাল হলেই হরিণের দল এসে জড়ো হয় আলমনগরের বনের পাশে। আপন মনে ছোটাছুটি করে, খাবার খায়, খুনসুটিতে মেতে ওঠে। যেন বিহারে আসে। আর এটাই এখন ওদের রুটিন, জানালেন স্থানীয়রা।
সবুজে ঘেরা নরম ঘাসে ছন্দ মেলানো হরিণের এ ছোটাছুটি দেখে মুগ্ধ হন বেড়াতে আসা মানুষেরা। স্থানীয়রা জানান, খাদ্যের সন্ধানে কেওড়া বনের গহীন থেকে লোকালয়ে ছুটে আসে এসব হরিণ। মাঝে মধ্যে ওঁৎ পেতে থাকা শিকারিদের হাতে মারাও পড়ছে এসব হরিণ।
বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষে ভোলার মনপুরা উপজেলার অবস্থান। প্রাচীন এ জনপদের হাজিরহাট ইউনিয়নের আলমনগরে রয়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এখানে রয়েছে নানা প্রজাতির বৃক্ষ। বনের সৌন্দর্য বাড়াতে বনে ছেড়ে দেয় হরিণ। ৮০’র দশক থেকে এখন পর্যন্ত এখানে সব মিলিয়ে ২ হাজারেরও অধিক হরিণ রয়েছে।
শুধু আলমনগর নয়, ঢালচর, জনতা বাজার ও প্রজেক্ট এলাকায়ও দেখা মেলে হরিণের।
শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধা পর্যান্ত বনাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে বনের চারপাশে হরিণের বিচরণ। দল বেঁধে খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসছে হরিণ। এসব হরিণ দেখতে আসছেন মানুষ। খুব কাছ থেকে হরিণ দেখে কেউ কেউ আবার ক্যামেরা বন্দি করছেন। ছোট বড় ও মাঝারি গড়নের চিত্রা প্রজাতির এ হরিণের ছুটে চলা মুগ্ধ করছেন দর্শনার্থীদের।
স্থানীয় আবুল কালাম ও সোহাগ বলেন, মনপুরার প্রধান আকর্ষন এখন হরিণ। খুব কাছ থেকে হরিণ দেখতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভিড় জমান। তবে চোরা শিকারীরা মাঝে মধ্যে হরিণ হত্যা করে মাংস পাচার করছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, বর্ষায় জোয়ারের পানিতে হরিণের বাসস্থান ডুবে গেলে এবং শীতে খাদ্য ও মিঠা পানির সংকট দেখা দিলে হরিণ লোকালয়ে চলে আসে। তখন দলবেঁধে হরিণ ঝাঁকের দেখা মেলে।
এ ব্যাপারে ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ‘হরিণের জন্য এরইমধ্যে ২টি মিঠা পানির পুকুর তৈরি করা হয়েছে। আরো কিছু পুকুর স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে, বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।’
তিনি বলেন, ‘বনের খাদ্য সংকট দুর করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও যাতে হরিণ শিকার না হয় সেদিকে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে।’