নিজস্ব প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, সরকার চালের বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজারদর মনিটরিং করে থাকে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. আবদুল্লাহর (লক্ষ্মীপুর-৪) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে খাদ্যশস্যের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশেও খাদ্যশস্যের দাম কমেছে। বর্তমানে চালের দাম প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমেছে এবং আটার দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের (মুন্সিগঞ্জ-১) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলমেন্ট স্টাডিসের (বিআইডিএস) সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সারাদেশে খাদ্যের চাহিদা ছিল ২৯৬ লাখ মে. টন। এর মধ্যে চাল ২৬৯ লাখ মে. টন এবং গম ২৭ লাখ মে. টন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সারাদেশে সরকারিভাবে খাদ্যগুদামের মোট ধারণক্ষমতা ২১.১৮ লাখ মে. টন। খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমানে ‘১.০৫ লাখ মে. টন ধারণক্ষমতার নতুন খাদ্যগুদাম নির্মাণ’ ও ‘আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ’ শীর্ষক দুটি প্রকল্প চলমান আছে। এদুটি প্রকল্প সমাপ্ত হলে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ক্ষমতা আরও ৬.৪০ লাখ মে. টন বৃদ্ধি পাবে।

