ঢাকাTuesday , 7 November 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইমামের চোখে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দুই ভুল

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে আসা সেনা সদস্যদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার সুযোগ দেয়াসহ দুটি ভুল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দিকে নিয়ে গিয়েছিল বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। এই দুটি ভুলই বাংলাদেশকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে বলে মনে করেন তিনি।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে জেনারেল খালেদ মোশাররফের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন এইচ টি ইমাম। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেনাবাহিনীতে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞের স্মরণে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।
সেদিন যারা খুন হয়েছিলে তাদের একজন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ। ‘খালেদ মোশাররফ স্মৃতি পরিষদ’ আয়োজিত ‘৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও সৈনিক হত্যা দিবস’ শীর্ষক এই আলোচনায় এত সভাপতিত্ব করেন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার সহধর্মিনীর সালমা খালেদ।
এইচটি ইমাম বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে দুটি জিনিস আমাদের পেছনে নিয়ে গেছে। প্রথমত. সেনাবাহিনীতে পাকিস্তান ফেরতদের আত্মীকরণ। যে কাজটি জিয়াউর রহমান এবং জেনারেল ওসমানী মিলে করেছিলেন। দ্বিতীয়ত. কর্নেল তাহের ও মেজর জলিলদের নিয়ে আসা। এগুলো না হলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হতো না, দেশ অনেকদূর এগিয়ে যেত।’
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সেনা শাসক জিয়াউর রহমানই দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিয়ে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন এইচ টি ইমাম। তিনি বলেন, ‘জিয়াকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক বলা হচ্ছে। তিনি যে দলগুলো গড়েছেন তা সভাপতি সম্পাদক দিয়ে। ক্ষমতায় এসে তিনি মান্নানের মতো রাজাকারকে মন্ত্রী বানালেন, আব্দুল আলীম, শর্শিনার পীরের মতো লোককে মন্ত্র্রী বানালেন। দেশকে সম্পূর্ণ পাকিস্তানি ভাবধারায় নিয়ে গেলেন।’
‘জিয়াউর রহমানকে আমি কখনই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মনে করি না। কারণ জিয়াউর রহমান শুধু বিহারির সন্তানই ছিলেন না, সরসরি মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান কখনই অংশ নেয় নাই, সকল অপারেশন করেছে কর্নেল তাহের।’
আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ততা অর্জনের জন্য জিয়া, খুনি মোস্তাক বিভিন্ন অভিনয় করেছেন। সেই খলনায়কদের এখন মহানায়ক বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান কখনও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব মানেননি।’
স্মরণসভায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা বলেন, ‘৭ নভেম্বরের সামরিক ক্যুতে অসংখ্য সামিরক বাহিনীর কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় জিয়া এবং তাহেরের নির্দেশে। এরপর জিয়া রাজাকারদের মন্ত্রিসভায় স্থান দিলেন পাকিস্তানকে খুশি করার জন্য। স্বাধীনতাবিরোধী শর্শীনার পীরকে স্বাধীনতা পুরস্কার দিলেন। তাই জিয়া কোনদিনও স্বাধীনতার পক্ষের লোক নয়।
জিয়া স্বাধীনতার মূলমন্ত্র পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন অভিযোগ করে স্বাধীনতার পর তাকে দেয়া বীর উত্তম খেতাব প্রত্যাহারেরও দাবি জানান গামা।