নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যার দিনটিকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্মরণ করছে আওয়ামী লীগ। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর তার চার সহযোদ্ধা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে নৃশংসভাবে কারাগারে হত্যা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এরপর তিনি আওয়ামী লীগের পক্ষেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও ২১ আগস্ট একই সূত্রে গাঁথা। ইতিহাসের মানবতাবিরোধী খলনায়করাই এ ধরনের ঘৃণ্য ও জঘন্য হত্যকাণ্ড চালিয়েছে। ইতিহাসের সেই ‘মানবতাবিরোধী খলনায়করা’ এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে দাবি করে করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, ৭৫, ২০০৪, আর ২০১৭ এক নয়। আওয়ামী লীগ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ৩ নভেম্বরের হত্যাকারীরাই পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ৩ নভেম্বরের হত্যাকারীরা বঙ্গবন্ধুকে শত্রু মনে করে মেরে ফেলেছে। তারা এখন প্রধানমন্ত্রীকেও শত্রু মনে করছে। তাই বারবার প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, আবদুল মতিন খসরু, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ। এছাড়া বিকেলে সাড়ে ৩টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে জেল হত্যা দিবসের স্মরণ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

