ঢাকাThursday , 15 June 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাত কাটছে মেঝেতে ঘুমিয়ে : মওদুদ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, গুলশানের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর তার এখন রাত কাটে একটি ফ্ল্যাটের মেঝেতে ঘুমিয়ে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট ভবনের মিলনায়তনে আইনজীবীদের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘রাজউক গুলশানের বাড়ি থেকে উচ্ছেদকালে মালপত্র সরানোর সময় খাট ভেঙে ফেলেছে। এখন আমার পুরনো কাঠমিস্ত্রি শংকর ভাঙা খাট মেরামত শুরু করেছে। মেরামত শেষ হলে খাটে ঘুমাতে পারবো। আপাতত মেঝেতে শুয়েই রাত কাটছে আমার।’
তিনি বলেন, ‘কোন আইনের তোয়াক্কা না করে চর দখলের মত সরকার আমার গুলশানের বাড়ি দখল করেছে। এটা সম্পূর্ণ মানবাধিকারের লঙ্ঘন।’ ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কোথাও বলা হয়নি যে, এই বাড়ি সরকার বা রাজউকের। আমার মনে হয় আওয়ামী লীগের নেতারা আদালতের রায় না পড়েই কথা বলছেন।
তিনি বলেন, ‘বাড়ি থেকে উচ্ছেদ বড় কথা নয়। যেভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে তাতে আমার বহুদিনের অনেক স্মৃতি হারিয়ে গেছে। এক ধনাঢ্য লোক আমাকে একহাজার বছরের পুরনো মিশরীয় সভ্যতার মাটির একটি বাটি উপহার দিয়েছিলেন, সেটি খুজে পাচ্ছি না।’
আমার মৃত দুই ছেলের স্মৃতিজড়িত অনেক জিনিস ছিল এই বাড়িতে। তা খুঁজে পাচ্ছি না। তাদেরকে এসব নস্ট করার অধিকার কে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আদালতের কোন আদেশ ছাড়া কোন বাড়ির দখলদারকে উচ্ছেদ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে উচ্ছেদ করার সময় আদালতের কোন নির্দেশ তাদের হাতে ছিল না। বিনা নোটিশে এবং বিনা অনুমতিতে বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ এবং ব্যারিস্টার মওদুদকে উচ্ছেদ করে সংবিধানে প্রদত্ত তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।’
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, এ জে মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন।