ঢাকাSunday , 11 June 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অজ্ঞান পাটির টার্গেট রোজাদার ব্যক্তিরা

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেছেন, রমজানে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা রোজাদার ব্যক্তিদের টার্গেট করে প্রথমে সখ্যতা গড়ে তুলে। ইফতারের আগ মুহূর্তে টার্গেট ব্যক্তিকে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে আগে তৈরি করা খাবার খাওয়ায়। যখন ওই ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়েন তখন তার সর্বস্ব লুটে নিয়ে পালিয়ে যায়।
রোববার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বাতেন এসব কথা বলেন। এর আগে গতকাল রাতে রাজধানীর জুরাইন, মগবাজার, ফকিরাপুল ও মৌচাক এলাকা থেকে অজ্ঞান পার্টির ১৫ সদস্যকে আটক করে ডিবি পশ্চিম বিভাগ ও সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ।
আটককৃতরা হলেন, মো. মিজানুর রহমান, মো. আলমগীর হোসেন, মো. ইদ্রিস ব্যাপরি, মো. খোকন মোল্লা, মো. আবুল কালাম মিয়া, মো. বাবুল পাটোয়ারি, মো. শাহ আলম শেখ, মো. আব্দুল মান্নান, মো. রিপন, মো. শরিফ, মো. হুমায়ুন কবির, আব্দুর রহমান, ইউনূস মিয়া, মো. শ্যামল ও মাঈনুল ইসলাম।
আব্দুল বাতেন বলেন, যাদের আটক করা হয়েছে তারা সারা বছরই এই পেশার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে বিশেষ কোনো উৎসব সামনে এলে যেমন- ঈদ, পূজা, রোজার সময় তাদের তৎপরতা বেড়ে যায়।
তিনি বলেন, আটককৃতরা ইফতারের কিছু আগে একজন বাস যাত্রীকে টার্গেট করে তার পাশে বসে। কথায় কথায় সখ্যতা তৈরি করে। মাগরিবের আজান পড়লে, বাস যাত্রীকে ইফতারের খাবার অফার করে। ওই খাবারে চেতনানাশক ওষুধ মেশানো থাকে। বাসযাত্রী ওই খাবার খেলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন, পরে সর্বস্ব নিয়ে পালিয়ে যায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা।
তিনি বলেন, শুধু বাসে বসে নয়, বাসে যেসব হকার খাবার বিক্রি করেন তাদের মাধ্যমেও চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার বাস যাত্রীদের কাছে বিক্রি করান অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা। এ জন্য বাস মালিক ও স্টাফদের এ বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে। ইফতারের সময় হকারদের কাছ থেকে কোনো খাবার কেনা ও খোলা খাবার না কেনার আহ্বান জানান তিনি।