ঢাকাTuesday , 2 August 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শরীয়তপুরে সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

Link Copied!

dokhalশরীয়তপুর প্রতিনিধি : জেলার নড়িয়া উপজেলার সালধ গ্রামে সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ওই পরিবারকে লাপাত্তা দেখিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা কিছু অসাধু কর্মকর্তার মাধ্যমে খাস জমি বন্দোবস্ত করে দখল করে বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে জানায় ওই পরিবারের লোকজন।
স্থানীয়রা ও সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নড়িয়া থানার ৭৬নং সালধ মৌজার এসএ ৪২৯ নং খতিয়ানভুক্ত ১৬১১নং দাগে নাল ০.২৮ একর, ১৫৯৫নং দাগে নাল ০.৮৮ একর, ১৬১৩নং দাগে বাগান ০.৩৫ একর, ১৬৩৪ নং দাগে বাড়ি ০.০৩ একর, ১৬১৬ নং দাগে বাড়ি ১.৪৬ একর, ১৬১৮ নং দাগে নাল ০.১৩ একর, ১৬১৯ নং দাগে নাল ০.১৭ একর, ১৬৩৩ নং দাগে নাল ০.২১ একরসহ সর্বমোট ৩.৫১ একর ভূমির রেকর্ডিয় মালিক যথাক্রমে দেবেন্দ্র চন্দ্র দাস, হেমন্দ্র চন্দ্র দাস, মাখন লাল দাস, নন্দ লাল দাস। এদের সবার বাবা কৈলাস চন্দ্র দাসের অংশে ০.৬১৪৩ একর, রাধেশ্যাম দাসের বাবা সুরেন্দ্র নাথ দাসের অংশে ০.৬১৪৩ একর এবং উপেন্দ্র নাথ, জিতেন্দ্র নাথ, নগেন্দ্র নাথ, রাধিকা মোহন, সবার বাবা চন্দ্রমোহন প্রত্যেকের অংশে ০.১০৯৭ একর ভূমির মালিকানা রয়েছে।
কিন্তু ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদ প্রদত্ত ওয়ারিশ সনদে দেখা যায়, জমির রেকর্ডিয় মালিক মাখন লাল দাস, হেমন্দ্র চন্দ্র দাস, নন্দ লাল দাস তারা তিনজন অবিবাহিত অবস্থায় মারা যায়। মৃত্যুর সময় তার একমাত্র ভাই রেকর্ডিয় মালিক দেবেন্দ্র চন্দ্র দাসকে ওয়ারিশ হিসেবে রেখে যায়। এর সূত্র ধরে তার একমাত্র ছেলে সুখরঞ্জন দাসকে ওয়ারিশ রেখে যায়। পরবর্তীতে সুখরঞ্জন দাসের তিন ছেলে এলিট, পলিট, ছলিট চন্দ্র দাস মালিক হিসেবে গন্য করা হয়। কিন্তু স্থানীয় আব্দুল ছাত্তার খান ও তার ভাইরা বিভিন্ন কৌশলে সংখ্যালঘু পরিবারটির পৈত্রিক সম্পতি দখল করে রেখেছে।
সম্পিত্তির মালিক এলিট চন্দ্র দাস বলেন, ‘আব্দুল ছাত্তার খানসহ তার ভাইরা আমাদের জায়গা দখল করে রেখেছে। আমরা হিন্দু হওয়ার কারণে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি আমরা ভোগ করতে পারছি না। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমাদের সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয়া হোক।’
এ ব্যাপারে আব্দুল ছাত্তার খানের বাসায় গিয়ে যোগাযোগ করা হলে তার ছেলে বিল্লাল ঢাকায় আছে। তিনি এসে এ বিষয়ে বলতে পরবে বলে জানান।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন ফকির, লাল শরিফ ঢালীসহ এলাকাবাসীর থেকেও সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখলের সত্যতা পাওয়া যায়।