আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারি বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধ্বসে পাকিস্তান ও ভারতের উত্তরাঞ্চলে অন্তত ৫৫ জন মারা গিয়েছেন। মৌসুমী বৃষ্টির কারণে বন্যার সৃষ্ট হয়েছে বলে জানা যায়।
পাকিস্তানের চিত্রাল জেলায় ভারি বৃষ্টি থেকে সৃষ্ট বন্যার কারণে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও একটি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। ওই এলাকায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কমকর্তারা।
এছাড়া ভারতের উত্তরাখণ্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে গত কয়েকদিনের বন্যা ও ভূমিধসে আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরাখণ্ডে ১৫ জন এবং অরুণাচলে ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। ভূমিধসের কারণে বেশ কয়েকটি গ্রাম চাপা পড়েছে। একটি মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে দুই দেশেই উদ্ধার তৎত্পরতা ব্যাহত হচ্ছে।
শনিবার রাতে চিত্রালের আরসুন গ্রামে বন্যা দেখা দেয়। একটি মসজিদে রমজান মাসে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়াকালীন কয়েকজন ব্যক্তি প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র জানান, বন্যা কবলিত এলাকার জনগণের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। শত শত মানুষ ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। গত বছরও এই এলাকায় বন্যার কারণে অনেকের প্রাণহানী ও সেতু ভেঙ্গে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে অতি বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে খাইবার পাখতুন প্রদেশে ১২৭ জন মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এছাড়া গত বছরের বর্ষাকালে পাকিস্তানজুড়ে বন্যায় নিহত হয়েছিলেন ৮১ জন, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ মানুষ।

