ঢাকাTuesday , 14 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এ কী বললেন এনটিনি!

Link Copied!

antiniস্পোর্টস ডেস্ক : দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে যতদিন খেলেছেন ব্যাটসম্যানদের কাছে ছিলেন দুর্বোধ্য। ডেভ হোয়াটমোরের পাশে থেকে জিম্বাবুয়ের বোলিং দেখভাল করছিলেন। হঠাৎই হোয়াটমোরকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বরখাস্ত করায় প্রধান কোচের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় মাখায়া এনটিনির হাতে। দায়িত্ব নিয়ে নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকে তোপ দাগলেন প্রাক্তন প্রোটিয়া এই গতি তারকা।
এনটিনির দাবি, প্রতিবেশি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা জিম্বাবুয়ের জন্য কোন দায়িত্ব পালন করেনি। ক্রিকেট বিশ্বে দক্ষিণ আফ্রিকা সব ফরম্যাটেই সেরাদের তালিকায় উপরের দিকেই রয়েছে। অথচ প্রতিবেশ দেশ জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট যে দিন দিন নিচের দিকে চলে যাচ্ছে সেদিকে কোন নজর দেয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। যেটা কষ্ট দিয়েছে এনটিনিকে।
সানডে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে এনটিনি জানিয়েছেন, তিনি নাকি জিম্বাবুয়েতে এসেই জানতে চেয়েছিলেন দেশটি ক্রিকেটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা কী ধরণের সহায়তা করেছে। উত্তরে যা জেনেছেন এনটিনি তাতে নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার ভুমিকা নিয়ে বিব্রত, ‘আমি এসেই জানতে চেয়েছিলাম দক্ষিণ আফ্রিকা জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট উন্নয়নে কী কী করেছে। উত্তরে যা জেনেছি তাতে আমি বিব্রত। দক্ষিণ আফ্রিকা জিম্বাবুয়ে সফরেই আগ্রহী নয়। তারা জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটের উন্নয়নেও উৎসাহী নয়। দুই বছর আগে জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ হওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা টালবাহানা করছিল বলে।’
জিম্বাবুয়ের প্রধান কোচ পদে রয়েছেন এনটিনি। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন স্বদেশী প্রাক্তন সতীর্থ ল্যান্স ক্লুজনার। এনটিনির মনে করছেন, তারা দুজন জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে পারবেন। কৃষাঙ্গ বলেই হয়তো প্রাক্তন গতি তারকা জিম্বাবুয়েকে এরইমধ্যে আপন করে নিয়েছেন, ‘খুব সম্ভবত আমি কালো বলে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট আমাকে আপন ভেবেছে। আমাকে কোচ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। কালো হিসেবে আমরা ছোট থেকেই পরিশ্রম করা শিখি। অন্য কালোদের প্রতি সুখ দুঃখের সঙ্গী হই। মানুষ হিসেবে আপনি আন্তরিক হলে অন্যদের সাহায্যে ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন। এই মুহূর্তে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে আন্তরিকতাই বড় প্রয়োজন।’