স্পোর্টস ডেস্ক : মহেন্দ্র সিং ধোনির সেই দিন আর নেই। আইপিএলে তার দল পুণে রাইজিং সুপারজায়ান্টস আট দলের মধ্যে সপ্তম হয়েছে। বাংলাদেশের কাছে ধোনির দলকে সিরিজ হারতে হয়েছে। এরপর ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে টি২০ সিরিজও হারতে হয়েছে। এরকম বাস্তবতা মেনে নিয়ে ধোনিকে তারুণ্য নির্ভর এক দল নিয়ে জিম্বাবুয়ে সফর করতে হচ্ছে।
দীর্ঘ ক্রিকেটের ধকল কাটাতে ভারতের সিনিয়র ক্রিকেটার বিরাট কোহলি, রবিচন্দ্র অশ্বিন, রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ানদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। অথচ ধোনির কাঁধে নেতৃত্ব দিয়ে পাঠানো হচ্ছে জিম্বাবুয়েতে! এখান থেকে একটা জিনিস পরিস্কার আফ্রিকার দেশটিতে গিয়ে পা হড়কালেই ধোনির নেতৃত্ব নিয়ে আবার ফিসফাস শুরু হয়ে যাবে!
ইতোমধ্যে অনেকেই বলে ফেলেছেন, সময় এসেছে ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে টিম ইন্ডিয়ার দায়িত্ব বিরাট কোহলির হাতে ছেড়ে দেওয়ার। সেটা জানেন ধোনিও। অনেকে তো তার ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে মুম্বাইয়ে সংবাদমাধ্যমকে ভারত অধিনায়ক বলে গেলেন ফিটনেস কোন ইস্যু নয়, ‘আমি আমার দেশের হয়ে খেলছি এটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ফিটনেস কোন ইস্যু নয়। আমি আমার দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত।’
আইসিসি র্যাংকিংয়ে তলানিতে অবস্থান জিম্বাবুয়ের। সদ্য শেষ হওয়া টি২০ বিশ্বকাপে দলটি দ্বিতীয় পর্বে উঠতেও ব্যর্থ হয়েছে। এর কোপটা পড়েছে কোচ ডেভ হোয়াটমোরের ওপর। সিনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে বরখাস্ত করেছে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট। অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে। ছন্নছাড়া এমন জিম্বাবুয়েকে নিয়েও সমীহ ঝরলো ধোনির কন্ঠে, ‘জিম্বাবুয়েতে খেলা হবে অন্যরকম অভিজ্ঞতা। তাদের বেশ কয়েকজন মানসম্মত খেলোয়াড় রয়েছে। আমার জন্য এটা চ্যালেঞ্জই হবে।’
জিম্বাবুয়েতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পর সমসংখ্যক টি২০ ম্যাচ খেলবে ভারত। ১১ জুন শুরু হবে প্রথম ওয়ানডে। ভারত-জিম্বাবুয়ের ছয় ম্যাচের সবগুলোই হবে হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে।

