ঢাকাSunday , 22 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুস্তাফিজদের হারিয়ে শেষ চারে সাকিবরা

Link Copied!

sakib

ক্রীড়া ডেস্ক : আইপিএল-এ গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জিতল সাকিব আল হাসানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। রোববার মুস্তাফিজের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ২২ রানে জিতেছে তারা। সেই সঙ্গে শেষ চার নিশ্চিত করেছে দু’বারের চ্যাম্পিয়নরা।
এদিন নিজেদের মাঠ ইডেন গার্ডেনে হায়দরাবাদকে স্বাগত জানায় কলকাতা। এই ম্যাচের জয়ের বিকল্প ছিল না গম্ভীরদের। এমন ম্যাচে ভাগ্যের লড়াই টসে হেরে যায় তারা। আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করা হায়দরাবাদের অধিনায়ক শুরুতে স্বাগতিকদেরকে ব্যাট করতে পাঠান।
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে মারমুখী অবস্থান নেয় কলকাতা। রানের গতির সঙ্গে সমান তালে উইকেটও হারায় শাহরুখ খানের দল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৪৮ রান সংগ্রহ করলেও ২ উইকেট হারায় তারা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান সংগ্রহ করে কলকাতা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে বেশি সুবিধা করতে পারেনি সানরাইজার্স। বরাবরের মতো এদিনও দলটির ব্যাটিং দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। ফর্মে থাকা ওয়ার্নার দ্রুত বিদায় নেন। যুবরাজও কিছু করতে পারেননি। একমাত্র ধাওয়ান হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারেন। তার ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করতে পারে হায়দরাবাদ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ২৮ রান করেন ধাওয়ান ও ওয়ার্নার। দলনেতার বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ২২ গজের এক প্রান্ত থেকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন ধাওয়ান। কিন্তু ৫১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। ৩০ বলে ৪টি চার ও তিনটি ছক্কায় এই স্কোর করেন।
দলের পক্ষে আর কেউই বড় স্কোর করতে পারেননি। সাকিব আল হাসানের বলে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৯ রান করে যুবরাজ সিং। এটি দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর।
বাংলাদেশের অল রাউন্ডার সাকিব বল হাতে শুরুটা বেশি ভালো করতে পারেননি। প্রথম ওভারে দেন ১১ রান। পরের ওভারে ১২ রান। নিজের তৃতীয় ওভারে ৫ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। শেষ ওভারে দেন ৬ রান। ফলে ৪ ওভারে মোট ৩৪ রান দিয়ে কেকেআরের সবচেয়ে খরুচে বোলার হন এই অল রাউন্ডার।
চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন কলকাতার সেরা বোলার সুনিল নারাইন। কুলদীপ চার ওভারে ২৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট।
এর আগে ব্যাট করতে নামা কলকাতার দু’জন ব্যাটসম্যান দলকে বড় স্কোর এনে দিয়েছেন। ৩০ বলে ৪৮ রান করে আউট হয়েছেন মানিষ পাণ্ডে। অন্যদিকে ৩৪ বলে ৫২ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন ইউসুফ পাঠান। আর ১৭ বলে ২৫ রান করা ওপেনার রবিন উথাপ্পার স্কোর উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশের অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান এদিন ব্যাট হাতে হতাশ করেছেন। সাত নম্বরে ব্যাট করতে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু ১০ বলে ৭ রান করেই সাজঘরে ফিরে গেছেন।
মুস্তাফিজ এদিন ১১তম ওভারে বল করতে আসেন। প্রথম ওভারে ৬ রান দেন। কিন্তু তার দ্বিতীয় ওভারে ১৪ রান নেয় কলকাতা। তৃতীয় ওভারে ৯ রান দিলেও একটি উইকেট শিকার করতে পারেন। জ্যাসন হোল্ডার একটি সহজ ক্যাট তুলে দেন হেনরিকসের হাতে। গ্রুপ পর্বে নিজের শেষ ওভারটি দারুণ করেছেন ফিজ। ১৯তম ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়েছেন। ফলে চার ওভারে মোট ৩২ রান দিয়ে ১ উইকেট পান কাটার মাস্টার।
গ্রুপ পর্বে ১৪টি ম্যাচে সব কটি ম্যাচেই একাদশে ছিলেন মুস্তাফিজ। প্রথম দিকে টানা উইকেট পেয়েছিলেন। মাঝখানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৬ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন তিনি। মুস্তাফিজ, চাহাল ও ওয়াটসন তিনজনেই ১৬টি করে উইকেট পেয়েছেন।
এদিন ভুবনেশ্বর কুমার ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেছেন। সেই সঙ্গে গ্রুপ পর্বে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন। তার উইকেট সংখ্যা ১৮। ১৭ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে মুম্বাইর ম্যাকক্লেনাঘান।