নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুই হাজার বর্গফুটের আরো ২৩টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে আরো পাঁচ হাজার সাতশ ডাস্টবিন স্থাপনের কাজ চালাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে হাইকোর্টের জিজ্ঞাসার জবাবে দুই সিটি করপোরেশনের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে ৩৩টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এর প্রতিটির আয়তন দুই হাজার বর্গফুট। নতুন করে আরো ২৩টির কাজ চলছে। এছাড়া ময়লার জন্য এক হাজার ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালকে পরিচ্ছন্নতা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে মধ্যরাত থেকে সকাল ৭টার মধ্যে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে বলা হয়েছে। তবে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ময়লা ফেলতে নিষেধ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিন হাজার ৬০টি ডাস্টবিন স্বল্প দূরত্বে স্থাপন করা হয়েছে। আরও পাঁচ হাজার সাতশটি স্থাপনের কাজ চলছে।
গত বছরের ৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘অব্যবস্থাপনায় ময়লার ভাগাড় ঢাকা’ শীর্ষক সংবাদের ভিত্তিতে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির বর্জ্য ব্যবস্থানায় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ দেন।
নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও কোনো জবাব না পাওয়ায় ওই আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।
এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন অনুসারে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সে সম্পর্কে তিন মাসের মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেন।
এ নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ মে দুই সিটি করপোরেশন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করে।

